শিরোনাম

নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করলেন কসবার পৌর মেয়র জুয়েল

কসবা প্রতিনিধি | মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২০ | পড়া হয়েছে 593 বার

নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করলেন কসবার পৌর মেয়র জুয়েল

আগামী পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ সামাজিকভাবে হেয় ও অপমান করার শঙ্কায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারন ডায়রি (জিডি) করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌরসভার মেয়র মোঃ এমরান উদ্দিন জুয়েল।গত রোববার সকালে তিনি কসবা থানায় এই সাধারন ডায়রি করেন। ডায়রি নং- ৫৭২। এমরান উদ্দিন জুয়েল আগামী পৌরসভা নির্বাচনেও আওয়ামীলীগ থেকে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, গত শনিবার তিনি (মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল) নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পারেন কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের তিনলাখপীর এলাকার বাছির মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন নাকি তার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছেন। কিন্তু এ ধরণের বিষয় মিথ্যা ও কাল্পনিক। আগামী পৌর সভা নির্বাচনকে বাঁধাগ্রস্থ করতে একটি মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করে তাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করছে। কুচক্রি মহলের এসব কর্মকান্ডে তিনি আতঙ্কিত।এসব ঘটনা তার জীবনের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

এ ব্যাপারে বিনাউটি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ রংগু মিয়া জানান, পূর্ব বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হওয়া বিষয়টি তিনি কথা শুনেছেন। কিন্তু মেয়র এসে কাউকে মারধর করেছেন এ ধরণের অভিযোগ একেবারে অসত্য।


কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন বলেন, ‘শনিবার দিনভর মেয়রসহ আমরা অনেকে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। এক বৃদ্ধ ও তার পরিবারের লোকজনকে মারধরের যে কথা বলা হচ্ছে সেটা ডাহা মিথ্যা। মূলত দুই পরিবারের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জের ধরে তাঁদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে। পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে অপপ্রচারের অংশ হিসেবে ওই পরিবারটিকে দিয়ে এসব কথা বলানো হচ্ছে।

এ ব্যাপারে কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি যে এ ধরণের কোনো ঘটনার সাথে জড়িত নই। সাংবাদিকরা আমার কাছে ফোন করে জানতে চান বাছির মিয়া নামে এক বৃদ্ধ নাকি অভিযোগ করেছেন আমি তাকে মারধর করেছি। মূলত পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে কাল্পনিক কথাবার্তা বলে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ লোকমান হোসেন বলেন, ‘খবর নিয়ে জানতে পারি দু’টি পরিবারের মধ্যে বেশ কিছু মামলা মোকাদ্দমা চলমান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। মারধর করার মতো সিরিয়াস কিছু হয় নি। মেয়র মারধর করেছে এমন কোনো অভিযোগও আমাদের কাছে আসে নি।’

তিনি বলেন, এ ঘটনায় মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল থানায় একটি জিডি করেছেন।

উল্লেখ্য, কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল শনিবার তিনলাখ পীর এলাকার বৃদ্ধ বাছির মিয়া ও তার পরিবারকে দলবল নিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠে। বাছির মিয়ার অভিযোগ, মেয়রসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ মামলা করায় সেটি তুলতে চাপ দেয়া হচ্ছে। মামলা তুলতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁদের উপর হামলা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাছির মিয়া সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০