শিরোনাম

নাসিরনগর ইউনিয়নে নৌকা প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ করায় ওসির প্রত্যাহার মন্ত্রীর তৎপরতার তদন্ত দাবী, চেয়েছে,জেলা আ’লীগ

প্রতিনিধি | সোমবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৬ | পড়া হয়েছে 615 বার

নাসিরনগর ইউনিয়নে নৌকা প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ করায় ওসির প্রত্যাহার মন্ত্রীর তৎপরতার তদন্ত দাবী, চেয়েছে,জেলা আ’লীগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের দুটি ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থী ও সমর্থকদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল কাদেরের  প্রত্যাহার চেয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আ’লীগ। একই সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী এডভোকেট সায়েদুল হকের বিরুদ্ধেও ওই দুই ইউনিয়নের প্রার্থীদের বিরোধীতার অভিযোগ করেছে জেলা আ’লীগ। গত রবিবার রাত ৮টায় স্থানীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে হরিপুর ও গুনিয়াউক ইউনিয়নে মন্ত্রীর নির্দেশে আ’লীগ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ওসি’র তৎপরতার বিবরন দেন জেলা আ’লীগ সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি বলেন, ৬ সদস্যের মনোনয়ন বোর্ডে জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক থাকলেও নাসিরনগরে তাদেরকে ছাড়াই মন্ত্রী প্রার্থী চূড়ান্ত করেন। এরমধ্যে হরিপুর ইউনিয়নে একজন রাজাকার পুত্রকে মনোনয়ন দেয়া হলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আর গুনিয়াউক ইউনিয়নে একজন জনপ্রিয় প্রার্থীকে বাদ দেয়া হয়। এরপর কেন্দ্রীয় আ’লীগ নির্দেশে ২ জন যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হয়। এতে মন্ত্রী অত্যন্ত ক্ষুব্দ হন। ওই দুই ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে না পারে সেজন্যে স্থানীয় প্রশাসনকে দিয়ে দলীয় প্রার্থীদের এখন নানা হয়রানী করছেন। হরিপুর ইউনিয়নে রাশেদ নামে একজনকে বিদ্রোহী প্রার্থী করা হয়েছে। এতে বিএনপি প্রার্থী জামাল জয়ী হবে। গুনিয়াউক ইউনিয়নেও বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন মন্ত্রীর ভাগ্নে হুমায়ুন কবির দরবেশ। তার নেতৃত্বে শুক্রবার গুনিয়াউকের গুটমা গ্রামে আ’লীগ প্রার্থীর ব্যানার ও পোষ্টার আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। আ’লীগ প্রার্থী গোলাম সামদানী শনিবার থানায় মামলা দিলেও  পুলিশ এখন পর্যন্ত মামলাটি রেকর্ড করেননি। উল্টো দু’জন আওয়ামীলীগের কর্মী দুলা মিয়া (৪৪) ও সোয়াব মিয়া(৪০) কে রাতে গ্রেফতার করে। তাদেরকে  জামায়াত-শিবির বানিয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইন মামলায় জেলে পাঠান ওসি। ওসির সাথে কথাা বললে তিনি মন্ত্রীর নির্দেশে তাদেরকে গ্রেফতার করে এ ধরনের মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সুপারকে ফোন করে মন্ত্রী বলেছেন আপনি আসামীদের পক্ষে কোন তদবির করলে আপনাকেও ছাড়বোনা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসি স্বীকার করেন তারা মন্ত্রীর নির্দেশে এমন কাজ করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ওসি আবদুল কাদেরকে প্রত্যাহার করার জন্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা দাবী জানাই। পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করার দলের সভানেত্রীর কাছে দাবী জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মুজিবুর রহমান বাবুল, গোলাম মহিউদ্দিন খোকন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রমুখ।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০