শিরোনাম

নাসিরনগরে আমন ধান কাটার ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষাণ কৃষাণীরা

নাসিরনগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ; | মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৬ | পড়া হয়েছে 1192 বার

নাসিরনগরে আমন ধান কাটার ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষাণ কৃষাণীরা

 

নাসিরনগরের ১৩টি ইউনিয়নে চলছে আমন ধান কাটা,মাড়াই ও গোলাজাত করনের মহোৎসব। ধান মাড়াই,শুকানো,গোলাজাত,আর ঘরে তুলা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার  করছে এলাকার কৃষাণ কৃষাণীরা। সরেজমিন এলাকায় ঘুরে সর্বত্রই  দেখাগেছে এমন চিত্র। ফলন ও ভাল হয়েছে বলে জানা  গেছে। কৃষকের সারা বছরের কষ্টার্জিত সোনালী ধানে ভরে  গেছে মাঠ। সকালে পাকা ধানের উপর শিশির বিন্দু,ভোরের সূর্যের আলোচমৎকার ঝলক দে চোখে। বাহ! গ্রাম বাংলার  কি প্রাকৃতিকচমৎকার দৃশ্য। চলছে অগ্রাহায়ন মাস। উষ্ণ শীত। একবার নিজ  চোখে না দেখলে বুঝা কঠিন। পোকা মাকড় আর রোগ বালাই ও রয়েছে সহনশীল ও স্বাভাবিক পর্যায়ে। বাজারে ধানের মূল্য ও রয়েছে মোঠামুঠি ভাল। ৪০  কেজি বা ১ মন শুকনো  নতুন ধান বাজারে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।প্রতি বছর এ ধান কাটার  মৌসুমে পার্শ¦বর্তী জেলা ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা,কিশোরগঞ্জ থেকে ধান কাটতে প্রচুর শ্রমিক আসে নাসিরনগর। তবে এবারের চিত্র  অনেকটা ভিন্ন। একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনায় পাল্টে গেছে নাসিরনগরের দৃশ্য পট। গত ৩০ অক্টোবরের ঘটনাকে  কেন্দ্র করে ঘটে  যাওয়া ঘটনার কারণে ও গ্রেফতার আতংকের ভয়ে এ বছর অনেক শ্রমিক আসেনি নাসিরনগর। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা  গেছে এ বছর, ধান কাটার মৌসুমে অত্র উপজেলা বুনা আমণ ধান চাষাবাদের লক্ষ মাত্রা ছিল ৯৬৫০ হেক্টর। কিন্তু আবাধ করা হয়েছে ১০১৫০ হেক্টর জমিতে। বুনা আমন উৎপাদনের লক্ষ মাত্রা ছিল প্রতি  হেক্টর জমিতে ১.৩ মেঃটন। কিন্তু উৎপাদন হয়েছে  ১.৫ মেঃটন। যা লক্ষ মাত্রার  চেয়ে ও বেশী বলে দাবী করছে অধিদপ্তর। রোপা আমন আবাধের লক্ষ মাত্রা ছিল ২০৫০ হেক্টর। আবাধ হয়েছে ২৫৫০ হেক্টর জমিতে।  রোপা আমনের ফলন লক্ষ মাত্রার   চেয়ে ও বেশী হবে বলে জানায় উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর। সব মিলিয়ে নাসিরনগরে এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন আসা করছে কৃষি অধিদপ্তর।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০