শিরোনাম

নবীনগরে নেশার টাকার জন্য চাচাতো ভাইকে অপহরণ : দুই লাখ টাকায় মুক্তি : থানায় মামলা আটক দুই

নবীনগর প্রতিনিধি : | মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 210 বার

নবীনগরে নেশার টাকার জন্য চাচাতো ভাইকে অপহরণ : দুই লাখ টাকায় মুক্তি : থানায় মামলা আটক দুই

জেলার নবীনগরে এক চিহ্নিত সন্ত্রাসী নেশাগ্রস্থ যুবক নেশার টাকার জন্য আপন চাচাতো ভাইকে অপহরণ করে দুই লাখ টাকা ও একটি এনড্রোয়েড মোবাইল ফোন মুক্তিপণের বিনিময়ে ছোট শিশু ভাইকে মুক্তি দিয়েছে অপহরণকারি সন্ত্রাসী নেশাগ্রস্থ ভাই। ওই অপহরণকারি নেশাগ্রস্থ সন্ত্রাসী ভাই হচ্ছে খাইরুল আলম পায়েল (২৫) পিতা মোঃ শাহ্ আলম। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হচ্ছে অপহরণকারি পায়েলের বড় ভাই মোয়াজ্জেম আলম জুয়েল (৩০) ও মোঃ আক্তার মিয়ার ছেলে রিফাত (১৮)।

এ ঘটনায় অপহৃত শিশুর পিতা ঢাকা মোহাম্মদপুর কলেজের প্রভাষক মোঃ কামরুজ্জামান বাদী হয়ে গতকাল সোমবার নবীনগর থানায় আটককৃতসহ ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। অপহরণ চক্রের অন্য আসামীরা হলো নবীনগর আদালত পাড়ার শাহরিয়ার, উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামের শুভ মিয়া ও মনির হোসেন। মুক্তিপণে উদ্ধারকৃত শিশু আশফিক জামান উদয় (০৮) ঢাকা উত্তরা স্কুল এন্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র। ঘটনাটি ঘটেছে, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা পৌরসদর আদালত পাড়ায় বাদির বসতবাড়ির সম্মুখ রাস্তায়।


পুলিশ ও মামলা সূত্র জানায়, মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে ওই দিন সকালে কামরুল স্ব-পরিবারে ঢাকা থেকে নবীগরের বাড়িতে আসে। সন্ধ্যায় উদয় বাড়ির সামনে রাস্তায় খেলা করছিল সেই সময় পায়েল হোন্ডা থামিয়ে ছোট ভাইকে ডেকে তুলে নিয়ে যায়। ছেলেকে না পেয়ে বাবা যখন পাগলপ্রায় তখনই তার মোবাইলে ভাতিজা পায়েলের রিং বেজে উঠে। অপরপ্রান্ত থেকে জানানো হয়, ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিলে তোমার ছেলেকে জীবিত পাবে। না হলে তাকে গুলি করে হত্যা করা হবে। ছেলে হত্যার ভয়ে অপহৃতের বাবা বিভিন্ন মাধ্যমে ভাতিজার সাথে রফাদফায় দুই লাখ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিনিময়ে উপজেলার নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের নরসিংহপুর গোদারা ঘাট সংলগ্ন খোলা মাঠ থেকে ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি শনিবার থানায় জানানো হলে রাতে ওই সন্দেহভাজন দু’জন আটক করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে অপহৃতের বাবা মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় আমি হতভম্ব। কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। ভাবনায় আসে আগে আমার ছেলেকে উদ্ধার করি, তারপর আইনের আশ্রয়। রাতের মধ্যে ধার দেনা করে টাকা যোগার করে নরসিংপুর ঘাটে যেতে বলা হলে সেখানে গিয়ে আমার ছেলেকে উদ্ধার করি।

এ ব্যাপারে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসলাম শিকদার বলেন, মামলা হয়েছে। আটককৃতদের জিঙ্গাসাবাদ করা হচ্ছে। মূল আসামীকে গ্রেফতারের অভিযান চলছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১