শিরোনাম

নবীনগরে নদী ভাঙ্গন

ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ০৪ আগস্ট ২০১৬ | পড়া হয়েছে 527 বার

নবীনগরে নদী ভাঙ্গন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নে মেঘনা তীরবর্তী চরলাপাং গ্রামে মঙ্গরবার(০২/০৮) রাতে নদী ভাঙ্গনের কবলে পরে কাচাঁ, আধাপাঁকা ১০টি বাড়িঘর, ছোট,বড় প্রায় ১৫টি দোকানপাট নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। খবর পেয়ে বুধবার (০৩/৮)সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম, চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দেখা যায়, মেঘনা নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় এবং ড্রেজার দ্বারা অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে এবং ভাঙ্গনের মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতিপুর্বেও গ্রামের একটি বড় অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে এ ভাবে ড্রেজার দিয়ে সিন্ডিকেটে বালু ব্যবসায়ীরা বালু উত্তোলন করার ফলে গ্রামটি ভেংগে যাচ্ছে, সর্বহারা হচ্ছেন গ্রামটির সাধারণ মানুষ।

৬টি মৌজা নিয়ে সৃষ্ট এ গ্রামটি তিনটি মৌজা ১,২,৩ সীটটি আগেই বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে চরলাপাং মৌজার ৪, ৫, ৬ নং সীটের মধ্যে কিছু অংশ গত রাতে বিলীন হয়ে গেছে বাকি অর্ধেকাংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। আরো প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা নদী ভাঙ্গন কবলের শিকারের মধ্যে আছে। বর্তমানে গ্রামের যে অংশটুকু ভাংগনে আশংকায় আছে সে সকল অংশের মানুষ তাদের বাড়ি ঘর সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, জরুরী ভিত্তিতে সুরক্ষাবাদ নির্মাণ করা না হলে আগামী ১০ বছরে গ্রামের অস্তিত্ব পাওয়া যাবে না। নবীনগরের মানচিত্র থেকে গ্রামটি হারিয়ে যাবে। নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়া অসহায় পরিবারগুলো তাদের সহায় সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বেচেঁ থাকার লড়াই করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত জিয়াউর রহমান, আহমেদ মিয়া, খবির মিয়া, কিবরিয়া মিয়া, ভানু মিয়া, স্বপন মিয়া, জাহেরা খাতুন, মলাই মিয়া, ডা: নাছির, বাশার মিয়া, জাকির, সাদিক, মনিরসহ আরো অনেকে তাদের কষ্ঠের জীবন যাপনের চিত্র তুলে ধরে গ্রামটি রক্ষায় সরকারের আশু পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য আকুল আবেদন জানান।


চেযারম্যান ফিরোজ মিয়া বলেন, জনগনের জান মান রক্ষায় বর্তমান সরকার বদ্বপরিকর,খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রামটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহন হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে সরকারিভাবে আর্থিক অনুদানসহ পূর্ন:বাসন ও স্থানান্তরিত পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে । তিনি বলেন, নদী সুরক্ষাবাদ নির্মাণের জন্য প্রকল্পের সম্ভাবতা যাচাই, প্রাক্কলন ও সুপারিশমালা প্রনয়নের কাজ চলছে. জেলা প্রশাসক মহোদয় দুই এলাকার অমিমাংসিত সীমানা চিহৃত করনের ব্যবস্থা করার জন্য ভূমি রেকর্ড ও জরীপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরারব পত্র দিয়েছেন। তাই আশা করা যায় সীমানা সমস্যার ও সমাধান হবে।

প্রেরক: শ্যামা প্রসাদ চত্রবর্ত্তী শ্যামল নবীনগর, (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ০১৮১৯-৬৫৪৬৩৮।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১