শিরোনাম

দ্রব্যমূল্য শব্দটি অনেক ছোট হলেও

| বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১ | পড়া হয়েছে 368 বার

দ্রব্যমূল্য শব্দটি অনেক ছোট হলেও

“দ্রব্যমূল্য” শব্দটি অনেক ছোট হলেও এর সংকোচন-প্রসারণের উপর দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নির্ভর করে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি যেমন একেকটি মানুষকে অনাকাঙ্ক্ষিত অতিষ্ঠ করে তুলে তেমনি দ্রব্যমূল্যের মার্জিত মূল্য প্রতিটি মানুষকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে সাহায্য করে।কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা ও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও এর ইতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত নয়। তবে নির্মম সত্য কথা হল – যদি অচিরেই সরকারী উদ্দ্যোগে দ্রব্যমূল্যের এই লাগাম নিয়ন্ত্রন করা না যায়, তাহলে দুস্কৃতিকারীরা এভাবেই দেশকে অস্থিতিশীল করে আর্থিক ফায়দা লুটবে আর সেই সাথে সাধারণ মানুষকে অসহনীয় করে তুলে, সরকার বিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে।

ইতিহাস সাক্ষী, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদক্ষ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় -হত-দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সাথে নিয়ে যুদ্ধবিদ্ধস্ত ও জরাজীর্ণ বাংলাদেশের ৫৭% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেন এবং তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশগুলির (এলডিসি) তালিকায় উন্নীত করেন। কিন্তু দেশবিরোধী অপশক্তি ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কালো রাত্রিতে স্বাধীন বাংলার জনককে স্বপরিবারে হত্যার মাধ্যমে ইতিহাসকে কলংকিত করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি, তাদের লোভের কাছে পদধূলিত করেছে দেশের উন্নয়ন ও জনগনের সাংবিধানিক অধিকার।পরবর্তিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ১ম দফায় ও ২০০৯ সালে ২য় দফায় ক্ষমতায় আসার পর তার নিরলস প্রচেষ্টা ও সুদক্ষ পরিচালনায় মার্চ,২০১৮সালে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করেছেন।


কিন্তু নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস-পত্রের ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি সরকারের এই অর্জনকে কলুষিত করে সাধারণ মানুষকে অর্থ সংকটে ফেলে দিচ্ছে, সেই সাথে তাদের অন্যান্য মৌলিক অধিকার হরণ করছে। আমরা জানি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ন্যায় একজন কৃষক বান্ধব সরকার। তার সুদক্ষ নির্দেশনায় দেশের কৃষিখাতে সর্বোচ্চ ভর্তুকী প্রদান করে যেমন নাগরিকদের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করছেন তেমনি দেশের কৃষিখাত থেকে অর্জন করছেন জিডিপির ১পঞ্চমাংশ। তার দূরদর্শী চিন্তা-চেতনায় দেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে – কৃষি গবেষণাকে অগ্রাধিকার প্রদানের মাধ্যমে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করে কৃষককে গুণগত মানসম্পন্ন বীজ সরবরাহ, কৃষি যন্ত্রের আধুনিকরণ ও ভর্তুকি প্রদানের মাধ্যমে তা সহজভাবে কৃষক বরাবর হস্তান্তরের ব্যাবস্থা , কৃষকের উৎপাদন খরচ হ্রাস করার লক্ষ্যে – সার, সেচের জন্য ব্যাবহৃত বিদ্যুৎ , কীটনাশক সহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ খাতে ভর্তুকি প্রদান করে যে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করছে তা বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে পরিগনিত করেছে। লক্ষ্য করলে আরো দেখা যায়- বর্তমান সরকার বাংলাদেশের কৃষিখাতকে বিশেষ গুরূত্ব প্রদান করে- জাতীয় বাজেটের প্রায় ৫% ব্যায় করেন – কৃষি সংশ্লিষ্ট প্রণোদনা ও ভর্তুকীর জন্য। যার মধ্যে কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন, কৃষি আধুনিকরণ ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে যন্ত্রপাতিতে ভর্তূকী, কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও প্রনোদনা প্রদান এবং সার, বীজ ও বিদ্যুতে সরকারের ভর্তূকীর বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কিন্তু লক্ষ্য করার বিষয় হল- উপরোক্ত পদক্ষেপগুলোর যথাসম্ভব বাস্তবায়নে উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষি পদ্ধতিকে সহজ এবং আধুনিকায়ন ও উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব হলেও সিংহভাগ কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন ও উৎপাদিত পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রন তেমনভাবে সম্ভব হয়নি।

উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী ঘনবসতির দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ৭ম ও জনসংখ্যার দিকে বিশ্বের ৮ম স্থান দখলকারী একটি দেশ। আবার উৎপাদনের দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ইর্ষণীয় স্থান দখল করে আছে। কৃষি বিষয়ক তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা নদীমাতৃক আমাদের এই বাংলাদেশ একটি উর্বর মাটির দেশ। অতীতে বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষি নির্ভর হলেও জলবায়ু পরিবর্তনে বন্যা ও খরার প্রভাবে বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষিখাতকে কিছুটা হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। তবুও সরকারের নিবিড় তত্বাবধানে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। যার প্রধান কারণ হল- জীবন-জীবিকার তাগিদে এদেশের প্রায় ৭০~৮০% লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল এবং প্রায় ৫০% শ্রমিক সরাসরি কৃষিকাজের সাথে জড়িত। ২৭ মার্চ ২০২১ তারিখে “দৈনিক প্রথম আলোর” প্রকাশিত- “১৩ খাতে বিশ্বের শীর্ষ দশের তালিকায় বাংলাদেশ” শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বের চতুর্থ, ইলিশ উৎপাদনে প্রথম, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আলু উৎপাদনে ষষ্ঠ, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রভাবশালী অবস্থান দখল সত্যেও দেশের সাধারণ মানুষ এর কোন সুফলই পায়না বা জাতীয় জীবনে এর তেমন কোন প্রভাব পরিলক্ষিত হয়না। কারণ হিসাবে বলা যায় – পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে সরকারের নজরদারী, সংগ্রহ ও সংরক্ষণ পর্যায়ে সরকারের হস্তক্ষেপ, চাহিদা অনুযায়ী সুষ্ঠ বন্টনে সরকারের পদক্ষেপ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে কার্যকর কোন সরকারী নীতিমালা ও আইন প্রণয়নের শক্ত কোন ব্যাবস্থাপনা এবং সরকারের নিজস্ব বিপণন ব্যাবস্থাপনার একটি পরিপূর্ণ চেইন ওয়ার্ক ডিজাইন বা CWD না থাকায় দ্রব্যমূল্যের লাগাম নিয়ন্ত্রন করছে সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাদন ব্যাবসায়ী ও সিন্ডিকেট ব্যাবসায়ীরা। আবার তাদের মধ্যে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী একটি পণ্যের পর্যাপ্ত উৎপাদন ও সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও গোডাউন কারসাজিতে বাজারে তৈরী করছে কৃত্তিম পণ্য সংকট, যার ফলে বেড়ে যায় দ্রব্যমূল্য, দেশে শুরু হয় মূল্যস্ফীতি। প্রভাবে সাধারণ মানুষ পতিত হয় ব্যাক্তিগত তারল্য সংকটে। ফলশ্রুতিতে খর্ব হয় তাদের অন্যান্য মৌলিক অধিকার। এমতবস্থায়, উৎপাদন পর্যায় থেকে শুরু করে বিপণন পর্যায় পর্যন্ত মধ্যবর্তী সকল উল্লেখযোগ্য অবস্থানে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপই পারে জনগনকে এই অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে। তাই আমি মনে করি, উপরোক্ত আলোচনায় দৃশ্যমান ঘাটতির যথাযথ পর্যবেক্ষন ও সু-পরিকল্পিত নিয়ন্ত্রণে আমাদের দেশের কৃষকরা যেমন উপকৃত হবে, তেমনই উপকৃত হবে দেশের সাধারণ মানুষ।

সহজ দৃষ্টিকোনে দেশের বর্তমান চেইন ওয়ার্ক ডিজাইন বা CWD এমন যে, ১ম ধাপে -ফসল ফলাতে একজন কৃষক বীজ বপন প্রকৃয়া থেকে শুরু করে ফসলকে খাদ্য উপযোগী পর্যায় পর্যন্ত মধ্যবর্তী সকল কাজ সম্পাদন করে থাকেন। তারপর উপযুক্ত মূল্যের বিনিময়ে তারা তাদের ফসল বিক্রি করে দেন। ২য় ধাপে, এই পণ্য সম্পূর্ণভাবে কৃষকের হাত থেকে আড়ৎদার ব্যাবসায়ীদের হাতে চলে আসে। আড়ৎদার ব্যাবসায়ীরা তখন পণ্যের ধরণ অনুযায়ী তা সংরক্ষণের যাবতীয় ব্যাবস্থা করে থাকেন এবং পরবর্তীতে তাদের নিজস্ব নিয়মে সারা বাংলাদেশের পাইকারী বাজারে পণ্য বিক্রি ও সরবরাহ করে থাকেন। ৩য় ধাপে, পণ্যটি চলে আসে পাইকারী ব্যাবসায়ীদের হাতে। পাইকারী ব্যাবসায়ীরা তাদের নিজস্ব ব্যাবস্থাপনায় চাহিদা অনুযায়ী সে পণ্য মজুদ করে ও নিজস্ব নিয়মে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে। ৪র্থ ধাপে এই পণ্যটি খুচরা বিক্রেতার কাছ থেকে উপযুক্ত মূল্য বিনিময়ে পৌঁছে সাধারণ মানুষের কাছে। নিবিড় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কৃষিজাতক সকল পণ্য ( মাঠ/উদ্যান ফসল, গবাদিপশু, পল্ট্রি, মৎস ) এর চেইন ওয়ার্ক ডিজাইন বা CWD প্রায় এক ও অভিন্ন। তাই আমি মনে করি,CWDএর কিছু গঠনতান্ত্রিক পরিবর্তন ও পরিকল্পনা-ই পারে, এর সুফল প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পর্যন্ত পৌঁছাতে। এই লক্ষ্যে – প্রথমত, নিয়ন্ত্রণ কাম্য প্রত্যেটি পণ্যের উৎপাদন বাবৎ খরচের উপর ভিত্তি করে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের ন্যায্য বাজার মূল্য নির্ধারণ করা । দ্বিতীয়ত, ভোক্তা পর্যায়ে নির্ধারিত মূল্যে পণ্য প্রাপ্তির সকল ব্যাবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মধ্যবর্তী সকল পর্যায়ে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ করা।(প্রয়োজনে নির্ধারিত মূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট নিয়মে সরকারের ভর্তুকি প্রদান করা।) তৃতীয়ত, যে সকল পণ্যের মূল্য সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করা হবে তার একটি তালিকা সহ মূল্য জনসাধারনকে অবহিত করার লক্ষ্যে- সকল প্রকার প্রচারণা কৌশল অবলম্বন করা সেই সাথে কোন পণ্য মানুষ যাতে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চাইতে বেশীতে ক্রয়/বিক্রয় না করে সেদিকে সচেতন করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

তাছাড়া চেইন ওয়ার্ক ডিজাইন বা CWD এর সুষ্ঠ নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে- ১ম ধাপেঃ সারা বাংলাদেশের সকল কৃষককে সনাক্ত ও নিবন্ধন করে তাদের “সরকারী কৃষক” হিসাবে অবিহিত ও সম্মান করা উচিত বলেও আমি মনে করি। পরবর্তিতে নিবন্ধিত সকল কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের উপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ট্রেনিং দিয়ে রপ্তানীযোগ্য দক্ষ কৃষক হিসাবে গড়ে তোলার উদ্দ্যোগ নেয়া উচিত। আবার সে দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সরকার কৃষি অধিদপ্তরের মাধ্যমে এলাকার সমস্ত কৃষি সংশ্লিষ্ট বিষয় (ফসল,গবাদি পশু, পল্ট্রি, মৎস ) এর আবাদ ও উৎপাদন সু-নিশ্চিত করা উচিত। সাথে নিবন্ধিত কৃষকদের সরকার প্রদত্ত সকল সুযোগ-সুবিধা যোগ্যতা অনুযায়ী সরাসরি কৃষক বরাবর প্রদানের অবকাঠামো তৈরী করা উচিত। আবার পরবর্তীতে ফসল উৎপাদনের দায়িত্ব কৃষক যথাযথ পালন করে তার উৎপাদিত পণ্য (ফসল,গবাদি পশু, পল্ট্রি, মৎস ) যাতে সরকারের কাছে ন্যায্য ও নগদ মূল্যে বিক্রি করতে পারে এমন ব্যাবস্থাপনা থাকা উচিত বলেও আমি মনে করি। ২য় ধাপেঃ কৃষক হতে ক্রয়কৃত পণ্য সরকার নিজস্ব/নিবন্ধিত আড়ৎদার ব্যাবস্থাপনায় পণ্য রক্ষণাবেক্ষন, সংরক্ষন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।এমনিভাবে সরকার সারা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় উৎপাদন আড়ৎদার ব্যাবস্থাপনায় মজুদ করে উৎপাদিত পণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত। সেই সাথে জেলা ভিত্তিক উৎপাদন ও চাহিদার একটি ডাটাবেজ তৈরী করে এপ্স এর মাধ্যমে দেশের আভ্যন্তরীন চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সুষ্ঠ বন্টন ও সরবরাহ নিশ্চিৎ করা উচিত বলে আমি মনে করি। ৩য় ধাপেঃ আড়ৎদার কর্তৃক সংগ্রহিত কৃষিজ পণ্য সরকার তার নিজস্ব/নিবন্ধিত যোগাযোগ ব্যাবস্থাপনায় বিভিন্ন জেলার নিজস্ব/নিবন্ধিত পাইকারী ব্যাবসায়ীদের সরবরাহ করা উচিত বলে আমি মনে করি। এতে করে বন্ধ হবে যোগাযোগ ব্যাবস্থার হয়রানি সাথে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির একটি অন্যতম কারণ।৪র্থ ধাপেঃ সরকারের নিজস্ব/নিবন্ধিত পাইকারী ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে সরকারের নিজস্ব/নিবন্ধিত বিপণন কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যে পণ্য ক্রয় করে জনগন পর্যায়ে এর সুফল ভোগ করাতে পারে বলে আমার বিশ্বাস।

পরিশেষে বলা যায় এই পুরো প্রকৃয়াটিতে সরকার “জিরো টলারেন্স” নীতিতে- পণ্য উৎপাদক(কৃষক), পণ্য ব্যাবসায়ী(আড়ৎদার), পণ্য বিক্রেতা(দোকানদার) ও পণ্য ক্রেতা (জনগন) কে মাথায় রেখে পণ্য মূল্যে নির্ণয় ও লভ্যাংশের সুসম-বন্টন নিশ্চিত করবে। (প্রয়োজনে প্রতিটি পর্যায়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করবে)।

বিঃদ্রঃ – উপরোক্ত আলোচনায় আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনের একটি উপায় সংক্ষিপ্তভাবে লিপিবদ্ধ করেছি যাতে করে বাংলাদেশ নিজস্ব চাহিদা পূরণ করে, সমৃদ্ধ অর্থনীতির পথ ধরে উন্নত রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা পায়। ভাল থাকুন।

লেখক
মোঃ সারওয়ার হোসেন।
(একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১