শিরোনাম

সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে এক ডজন নেতা মাঠে

দীর্ঘ ৫ বছর পর ২ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার : | বৃহস্পতিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 261 বার

দীর্ঘ ৫ বছর পর ২ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন

দীর্ঘ ৫ বছর পর আগামী শুক্রবার (০২.০২.২০১৮) শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন। সকাল ১০টায় স্থানীয় লোকনাথ উদ্যানে (টেংকের পাড়) অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
সম্মেলন উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি থাকবেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এম.পি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অবঃ) এবি তাজুল ইসলাম এম.পি, ফয়জুর রহমান বাদল এম.পি, অ্যাডভোকেট ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী এম.পি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম. জাকির হোসাইন।


বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আল-আমিন, মোঃ মনির হোসেন প্রমুখ।

এদিকে চারদফা পেছানোর পর আগামী ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন সফল করতে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান রনিকে আহবায়ক করে একটি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্মেলনের তারিখ ঘোষনার পরই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসব আমেজ। সম্ভাব্য সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের পোষ্টারে ছেয়ে গেছে পুরো শহর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ছাত্রনেতা জানান, দফায় দফায় সম্মেলন পেছানোর কারণে ইতিমধ্যেই অনেক ছাত্রনেতার বয়স পেরিয়ে গেছে। এই অবস্থায় ঘোষিত তারিখে সম্মেলন না হলে আরো কয়েকজনের বয়সও পেরিয়ে যাবে।

ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি জেলা ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের প্রায় বছরখানেক পরে ১৭৩ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই কমিটির মেয়াদ পার হয়ে গেছে।
এদিকে আগামী সম্মেলনকে সামনে রখে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের অনুসারীদের নিয়ে দল বেঁধে যাচ্ছেন উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাদের বাড়ি বাড়ি। কেউ কেউ জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদেরকে ম্যানেজ করারও চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ কাক্সিক্ষত পদ পেতে ঢাকায় গিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাদের পেছনেও ঘুর ঘুর করছেন অনেকে।
জেলা ছাত্রলীগের একাধিক সূত্র জানায়, সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়ে প্রায় এক ডজন ছাত্রনেতা দীর্ঘদিন ধরে মাঠে কাজ করছেন।
সভাপতি প্রার্থীরা হলেন, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মিনহাজ মামুন, সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম যুব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মোঃ তাজুল ইসলাম আপন, মেহেদী হাসান লেলিন, মোঃ মোমিন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হোসেন রুবেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন শোভন ও ছাত্রনেতা রোদোয়ান আনসারী রিমো।

সাধারণ সম্পাদক পদে জেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ইউনুছ ভূইয়া রিপন, শহর ছাত্রলীগের আহবায়ক মিকাঈল হোসেন হিমেল, কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসনাত সিফাতের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে কয়েকজন ছাত্রনেতা জানান, শেষ পর্যন্ত সম্মেলনে আগে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

পদপ্রত্যাশী একাধিক ছাত্রনেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কমিটি গঠন করা হবে-এমনটিই আশা করছেন তারা। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে পদপ্রত্যাশি কারো মনে কোন ক্ষোভ থাকবেনা।
তারা বলেন, সম্মেলনে যারাই প্রার্থী হবেন তাদের ছাত্রত্ব ও বয়স থাকতে হবে। কোন অছাত্রকে নেতা বানিয়ে দিলে তাকে কেউ মেনে নেবেনা।

এ ব্যাপারে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ও জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান রনি বলেন, সম্মেলন সফল করতে সকল প্রস্তুতি স¤পন্ন হয়েছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১