শিরোনাম

অধ্যাপক এ কে এম হারুনুর রশিদের প্রয়াণ দিবসের আলোচনা সভায় মোকতাদির চৌধুরী এম.পি

তিনি জীবদ্দশায় মানুষকে দেশপ্রেমে জাগ্রত করতে কাজ করেছেন

স্টাফ রিপোর্টার : | বৃহস্পতিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 76 বার

তিনি জীবদ্দশায় মানুষকে দেশপ্রেমে জাগ্রত করতে কাজ করেছেন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, বিশিষ্ট লেখক, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এম.পি বলেছেন, অধ্যাপক হারুনুর রশিদ ছিলেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও ব্যক্তিত্ববান মানুষ। তিনি সারাজীবন শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে জাগ্রত করতে কাজ করেছেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বিশিষ্ট কবি, গীতিকার, নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এ কে এম হারুনুর রশিদের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বুধবার (০৮.১১.২০১৭) জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি একথা বলেন।


জেলা প্রশাসক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, অধ্যাপক হারুনুর রশিদ পদ ও অর্থের কোন লোভ ছিল না, তিনি সারাজীবন সাধারণ জীবন যাপন করেছেন। তিনি ছিলেন দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী। জাতি তাঁকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে তার নেতৃত্ব দিয়েছেন অধ্যাপক হারুনুর রশিদ। অধ্যাপক হারুনুর রশিদ একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়েও শিক্ষক পরিচয়ে সারাজীবন অতিবাহিত করেছেন। কিন্তু বর্তমান সমাজে কিছু লোক মুক্তিযুদ্ধ না করেও মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধি লাগিয়ে নিজেকে জাহির করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। অধ্যাপক হারুনুর রশিদ আমাদের এই সমাজের আদর্শ। আজ অধ্যাপক হারুনুর রশিদ স্যারকে স্মরণ করে আমি নিজেই সম্মানিত হয়েছি।

জেলা শিল্পকলা একাডেমি’র সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণি সজিবের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ এস এম শফিকুল্লাহ্, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহ সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক এ জেড এম আরিফুল হোসেন, দৈনিক সমতট বার্তার সম্পাদক মনজুরল আলম, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গণের সম্পাদক কবি আবদুল মান্নান সরকার, দৈনিক সমকালের নিজস্ব প্রতিবেদক ও অধ্যাপক হারুনুর রশিদের জামাতা আব্দুন নূর।
পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জেলা শিল্পকলা একাডেমির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেনের পরিচালনায় একক আবৃত্তি করেন বাচিক শিল্পী বাছির দুলাল, অমিতাভ চক্রবর্তী, সৌরভী নাছরীন শাওন, একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক পীযুষ কান্তি আচার্য্য, পাপিয়া চৌধুরী, দলীয় আবৃত্তি করেন তিতাস সাংস্কৃতিক আবৃত্তি সংগঠন, দলীয় গান পরিবেশন করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গণের শিল্পীবৃন্দ।

সকাল ১১টায় প্রয়াত অধ্যাপক হারুনুর রশিদের রচয়িত কবিতার আবৃত্তি ও সঙ্গীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০