শিরোনাম

তিতাসের সেই বিশালতা এখন আর নেই

প্রতিনিধি | শনিবার, ১১ জুন ২০১৬ | পড়া হয়েছে 225 বার

তিতাসের সেই বিশালতা এখন আর নেই

তিতাস পাড়ের জেলেদের সুখ-দুঃখ নিয়ে কালজয়ী ঔপন্যাসিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ লিখেছিলেন ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাস। তিতাসের সেই বিশালতা এখন আর নেই। নেই কূল জোড়া জল আর সেই দুরন্ত ঢেউ। নাব্যতা হারিয়ে মেঘনা কন্যাখ্যাত তিতাস ক্রমশ জরাজীর্ণ খালে পরিণত হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃষক ও জেলেদের জীবন-জীবিকার প্রধান উৎস তিতাস নদী দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। এক সময় যে নদীকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল বাণিজ্যিক হাট-বাজার সেই নদীর করুণ দশায় তিতাস পাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকা এখন হুমকির
সম্মুখীন। দীর্ঘ দিন ধরে তিতাস নদী খনন না করার কারণে লাখ লাখ মানুষের জীবন জীবিকা ব্যাহত হচ্ছে।

নদীটি দ্রুত খনন করা না হলে বন্ধ হয়ে যাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাথে দেশের লঞ্চ চলাচল। নদীর বিভিন্ন স্থানে চর পরে যাওয়ায় একটি লঞ্চ অপরটিকে সাইড দিতে সমস্যায় পরতে হয়। দ্রুত নদী খনন করা না হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাথে নরসিংদী-ভৈরব-আশুগঞ্জ-নবীনগরসহ সারা দেশের লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যাবার আশংকার কথা জানান লঞ্চ চালক।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, গত ৬ অক্টোবার একনেকের বৈঠকে  প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রæত অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসাবে তিতাস নদী খননের সিদ্ধাš— নেয়া হয়েছে। তিতাসের ১৩০ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৯১ কিলোমিটার নদী খননের জন্য ১৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতি মধ্যে দরপত্র আহবান করা হয়েছে। এ বছর খনন কাজ শুরু হয়ে ২০২০ সালের জুন মাস নাগাদ শেষ হবে বলে জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা।
এদিকে সরকারে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানিয় জনপ্রতিনিধি জানান, নদীটি খনন করা হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ঐতিহ্য ফিরে পাবে ও হাজার হাজার একর কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। জনগন পাবে একটি উপকৃত তিতাস নদী।
খননের মধ্য দিয়ে তিতাস ফিরে পাবে তার পুরানো রূপ। কৃষক, জেলে, নৌ শ্রমীকদের জীবন-জীবিকায় ফিরে আসবে প্রাণ চাঞ্চল্য এমনটায় প্রত্যাশা তিতাস পাড়ের মানুষের।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০