শিরোনাম

১৮ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে ১শ’ ৮৫

ড্রাইভারদের দাবি দুর্ঘটনা ঘটলে কোন শাস্তি দেয়া যাবে না

নিউজ ডেস্ক | বুধবার, ০১ মার্চ ২০১৭ | পড়া হয়েছে 333 বার

ড্রাইভারদের দাবি দুর্ঘটনা ঘটলে কোন শাস্তি দেয়া যাবে না

“মানুষ হত্যার স্বাধীনতা চাই’। দুর্ঘটনায় কারও মৃত্যু হলে ‘চালকের’ বিচার করা যাবে না। এমন দাবির বৈধতা দিতে হবে। দিতেই হবে! নইলে সড়কে গাড়ির চাকা ঘুরবে না। ধর্মঘট চলবে লাগাতার। অচল করে দেয়া হবে গোটা দেশের সড়ক যোগাযোগ”। তাই হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনায় দুই চালককে দ- দিয়েছেন আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সারাদেশে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে একটি শ্রমিক সংগঠন। কর্মসূচীর প্রতি প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সমর্থন যুগিয়েছেন মালিক সমিতির নেতারাও। অথচ ধর্মঘট আহ্বানকারী সংগঠন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি হলেন শাজাহান খান। যিনি সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য। সড়ক পরিবহন সমিতির সভাপতি হলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙা। সরকারের প্রভাবশালী দুই মন্ত্রী যখন দুই পরিবহন সংগঠনের শীর্ষ নেতা তখন দেশবাসীকে জিম্মি করে লাগাতার পরিবহন ধর্মঘট কার স্বার্থে? এমন প্রশ্ন তোলেছেন যাত্রী অধিকারের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংগঠন। পূর্বঘোষণা ছাড়াই মঙ্গলবার সকাল থেকে সারাদেশে লাগাতার পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়। এতে দেশের সড়ক যোগাযোগ অচল হয়ে যায়। রাজধানী ঢাকার সঙ্গেও সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয় যাত্রীদের। বাস টার্মিনালগুলোতে মানুষের ভিড়। গাড়ি ছাড়ার অপেক্ষা। জরুরী প্রয়োজনে গন্তব্যে যেতে পারছেন না কেউ। পণ্য পরিবহনে দেখা দিয়েছে অচলাবস্থা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকায় নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে।সারা দেশে পরিবহন ধর্মঘটের বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব অযৌক্তিক ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়া উচিত। ধর্মঘট আহ্বানকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আদালত এ রায় দিয়েছেন, জনগণ দেয়নি। রায়ের সঙ্গে জনগণের কোন সম্পর্ক নেই। তাহলে জনগণ কেন কষ্ট পাবে?’ গত মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০