শিরোনাম

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সম্পাদকদের উদ্বেগ অনেকাংশেই যৌক্তিক : আইনমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি : | বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮ | পড়া হয়েছে 118 বার

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সম্পাদকদের উদ্বেগ অনেকাংশেই যৌক্তিক : আইনমন্ত্রী

প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে এডিটর’স কাউন্সিল যে উদ্বেগ জানিয়েছে তার অনেকাংশই যৌক্তিক বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডঃ আনিসুল হক এম.পি। আজ বৃহস্পতিবার (১৯.০৪.২০১৮) সচিবালয়ে এডিটর’স কাউন্সিলের সাথে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান আইনমন্ত্রী অ্যাডঃ আনিসুল হক এম.পি।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এডিটর’স কাউন্সিল আইনের ছয়টি ধারা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


আইনমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মাদ শহিদুল হক।

সম্পাদকদের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নিউজ টুডের রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, নিউ এজের নুরুল কবির, প্রথম আলোর মতিউর রহমান, ডেইলি স্টারের মাহফুজ আনাম, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নঈম নিজাম, ইনকিলাবের এ এফ এম বাহাউদ্দিন এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের এ এইচ এম মোয়াজ্জেম হোসেন।

এ ছাড়া বৈঠকে অংশ নেন যুগান্তরের সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল আলম, সংবাদের খন্দকার মনিরুজ্জামান, বণিক বার্তার দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, কালের কণ্ঠের ইমদাদুল হক মিলন এবং নয়া দিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন।

বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী অ্যাডঃ আনিসুল হক এম.পি বলেন, আজকে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন নিয়ে আইন এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সাথে এডিটর’স কাউন্সিলের পূর্বনির্ধারিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। আমরা প্রায় দেড় ঘণ্টা আলাপ-আলোচনা করেছি। এডিটর’স কাউন্সিল ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের কিছু ধারা নিয়ে কনসার্ন (উদ্বেগ) জানিয়েছে। তারা এ আইনের ২১, ২৫, ২৮, ৩১, ৩২ ও ৪৩ নিয়ে কনসার্ন জানিয়েছেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, এ আইনটি বর্তমানে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে রয়েছে। আগামী ২২ তারিখে এটার একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা শেষে আমরা যে সিদ্ধান্তে এসেছি তা হলো, যে আপত্তিগুলো তুলে ধরা হয়েছে সেগুলোর অনেকাংশই যৌক্তিক মনে করায় আগামী ২২ তারিখে যে সভা হবে সেই সভায় এডিটর’স কাউন্সিলকে আলোচনার জন্য যেন আমন্ত্রণ জানানো হয়, সেজন্য একটি প্রস্তাব রাখা হবে। ২২ তারিখের পর একটি নির্ধারিত তারিখে যে ধারাগুলো নিয়ে আজকে আলোচনা হয়েছে সেগুলো লিখিতভাবে স্থায়ী কমিটিকে দেবেন।

তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছিল সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। এটা স্বাধীন সাংবাদিকতা বন্ধ করার জন্য নয়। সেক্ষেত্রে এ আইনের মধ্যে যদি কোনো ত্রুটি থেকে থাকে সেগুলো যেন অপসারণ করা যায়, সে জন্য এডিটর’স কাউন্সিলের সাথে স্থায়ী কমিটির আলোচনা হবে। এ আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা দুই পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করতে পারি, তাদের যে কনসার্ন সেগুলো আমরা দূর করতে পারব।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে টেলিভিশন মিডিয়া কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠকের চিন্তা-ভাবনা আছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা এ আইনকে এমন একটা আইন করতে চাই, যা শুধু গ্রহণযোগ্যই নয়, যুগোপযোগী হবে। সেক্ষেত্রে টেলিভিশন মিডিয়া কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে প্রস্তাব করব। সেটা তাদের সিদ্ধানের ওপরই নির্ভর করবে, টেলিভিশন মিডিয়াকে ডাকবে কি না।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১