শিরোনাম

ইয়েমেনে হামলায়

জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র

| শনিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 143 বার

জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র

ইয়েমেনের লড়াইয়ে সৌদি জোটের যুদ্ধ বিমানকে উড়ন্ত অবস্থায় মার্কিন বিমান থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব।

এর ফলে ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের সাথে সৌদির যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যায় বন্ধ হয়ে গেল।


আজ ১০ নভেম্বর শনিবার সৌদির বার্তা সংস্থা এসপিএতে দেয়া এক বিবৃতিতে সৌদি আরব দাবী করে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করে সৌদি আরব আকাশে তাদের সহায়তা নেয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সৌদি জোটকে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে নেয়া হলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চাইছে। জাতিসংঘ এই যুদ্ধকে ‘বিশ্বের নিকৃষ্টতম মানবিক বিপর্যয়’ বলে আখ্যায়িত করছে।

এছাড়াও ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার পর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ সৌদির ওপর অবরোধ আরোপ করার কথাও ভাবছে।

গত সপ্তাহে ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে জাতিসংঘের নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছে।

এসপিএ জানায়, সম্প্রতি সৌদি রাজ্য এবং এর জোট ইয়েমেনে উড়ন্ত অবস্থায় বিমানে জ্বালানি সরবরাহ করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।

এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করে জোট বাহিনী ইয়েমেনে যুদ্ধের জন্য উড়ন্ত বিমানে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস সৌদির সিদ্ধান্তে তার দেশের সমর্থনের কথা জানিয়ে বলেছেন, ইয়েমেনে তারা সৌদি জোটকে সহায়তা করে যাবে। ইয়েমেনে সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি রোধ এবং মানবিক সহায়তা বিস্তৃত করতে সৌদি জোটকে সহায়তা করার কথা তিনি জানান।

আগস্ট মাসে ম্যাটিস সৌদি সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, জোট বাহিনীকে যুক্তরাষ্ট্র “নিঃশর্তভাবে সহায়তা” করবে না। সৌদিকে “নিরীহ মানুষের প্রাণহানি এড়াতে সম্ভাব্য সবকিছু করার” আহ্বান জানান ম্যাটিস।

এই সিদ্ধান্তের কী প্রভাব পড়বে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বার্তা সংস্থা এপিকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, সৌদি বাহিনী এখন জ্বালানি সরবরাহ অভিযানের ৮০ শতাংশ পরিচালনা করতে সক্ষম। দীর্ঘ সময় আকাশে থেকে অভিযান পরিচালনার জন্য এভাবে জ্বালানি সরবরাহ জরুরী।

ইয়েমেনে ইরানের সহায়তায় হুথি বিদ্রোহীরা হাদি সরকারকে উৎখাত করতে চাইছে এমন আশঙ্কায় সৌদি আরব ২০১৫ সালে দেশটির গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ শুরু করে। যুদ্ধে ১০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। কিন্তু বেশ কিছু সময় ধরে এই গণনা বন্ধ রয়েছে এবং যুদ্ধে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা ধারণা করা হচ্ছে আরো বেশি হবে বলে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০