শিরোনাম

জেলা চেয়ারম্যানের সংবর্ধনা

| বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০১৭ | পড়া হয়েছে 319 বার

জেলা চেয়ারম্যানের সংবর্ধনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক সমাজের ব্যনারে বৃহস্পতিবার বিকালে শহরের আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্ত মঞ্চে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

দলের একটি পক্ষ সংবর্ধনার সমর্থন করলেও আরেকটি পক্ষ তাকে ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ বলে প্রত্যাখ্যান করছে।


গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি সফিকুল  আলম জয়লাভ করেন।

তার পক্ষে রয়েছেন দলের জেলা সহ-সভাপতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. হেলাল উদ্দিন, জেলা সহ-সভাপতি তাজ মোহাম্মদ ইয়াছিন ওরফে ইয়াছিন চেয়ারম্যান ও জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমানুল হক সেন্টু।

নাগরিক সংবর্ধনা উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। লাগানো হয়েছে রঙ্গিন পোস্টার।
অনুষ্ঠানের জন্য ছাপানো পত্রে প্রধান অতিথির নাম লেখা হয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হক। বিশেষ অতিথি সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবি তাজুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের (নবীনগর) এমপি মো. ফয়জুর রহমান বাদল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের এমপি জিয়াউল হক মৃধা, দলের জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস মিনারা আলম, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আমানুল হক সেন্টু।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে জেলা নাগরিক সমাজের সভাপতি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তাজ মো. ইয়াছিন।

অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি  র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর নাম নেই।

এ ব্যাপারে উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, “সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে; কিন্তু আমি অনুষ্ঠানে থাকব না বলে জানিয়ে দিয়েছি। কারণ সফিকুল আলম দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করেছেন। তাকে আগে আওয়ামী লীগে যোগদান করতে হবে। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীর কোনো প্রার্থীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমি যেতে পারি না।”

সফিকুল আলম বলেন, “আমি বিগত ২০ বছর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলাম। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি  এবং করে যাব। নতুন করে আওয়ামী লীগে যোগদান করার প্রশ্ন অবান্তর।”
এদিকে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ হিসেবে নির্বাচিত শফিকুল আলমের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন আয়োজক কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগের জেলা সহসভাপতি তাজ মোহাম্মদ ইয়াছিন।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার প্রার্থীর বিপক্ষে গিয়ে যিনি নির্বাচন করেছেন তিনি আওয়ামী লীগের কেউ নন। তাই এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নিয়ে আওয়ামী লীগের কোনো মাথা ব্যথা নেই।

“আওয়ামী লীগ কিংবা অঙ্গ-সহযোগী কোনো সংগঠন পাল্টা কোনো কর্মসূচিও দেয়নি।”

তিনি আরও বলেন, যারা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে সংবর্ধনার জন্যে কাজ করছেন তাদের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় কমিটিকে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটি যদি মনে করেন তারা দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ করছেন তাহলে তাদের বিরুদ্বে কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মঈনুর রহমান জানান, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্যাপক পুলিশী নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।অনুষ্ঠানস্থল ও তার আশপাশ এলাকায় সশস্ত্র পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশ মোতায়েন থাকবে।  নিউজ ডেস্ক

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১