শিরোনাম

জনগণ সাথে নেই বলে কেঁদে বুক ভাসালেন ফখরুল: ওবায়দুল কাদের

বিশেষ প্রতিনিধি : | মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 162 বার

জনগণ সাথে নেই বলে কেঁদে বুক ভাসালেন ফখরুল: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মির্জা ফখরুল কেঁদে প্রমাণ করলেন, সারা দেশের জনগণ তাদের সাথে নেই। এ জন্য তিনি কেঁদে বুক ভাসিয়েছেন।

আজ ২৭ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালে তার নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।


মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে তিনি প্রথমে তার নিজ বাড়িতে গিয়ে মা বাবার কবর জিয়ারত করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন চাইলে বিএনপি এ মুহূর্তে সিইসির পদত্যাগ চাইত না। তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই-জনবিচ্ছিন্ন দলছুট নেতারা যতই বিএনপির সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে, ততই বিএনপি আরও জনসমর্থন হারিয়ে ফেলছে।

তিনি বলেন, বিএনপির ভাঙা হাড়ে নেতায় নেতায় ঐক্য হচ্ছে; তারপরও ভাঙা হাড় জমছে না। সারা দেশে নৌকার গণজোয়ার।

আমি আসার পর সরকারি কোনো ডাকবাংলোও ব্যবহার করিনি। সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছি না। আমি যে পতাকা ছাড়া এসেছি, এটিই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড।

আমার মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় হাজার হাজার নেতাকর্মী আসছে। আমি তাদের উপজেলা পরিষদের ভেতরে ঢুকতে দিইনি। যাতে করে আচরণবিধি লঙ্ঘন না হয়। আমার গাড়ির মধ্যে পতাকা ছিল না, আমি মনোনয়নপত্র দাখিল করতে এসে সরকারি কোনো গাড়ি ব্যবহার করিনি, বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে যে সমতল ভূমি তারা চান, তারা কি আচরণবিধি মেনে চলছেন? তার পরও ভাঙা হাড় জমেনি। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ চেষ্টা করেও কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলা মিলে ১০ হাজার লোক সমাগম করতে পারেনি।

আর আজকে কোম্পানীগঞ্জে লাখের কাছাকাছি লোকের সমাগম হয়েছে। মানুষ একত্রিত হয়েছে, আমরা কোনো শোডাউন করিনি। এর অর্থ হচ্ছে নৌকার গণজোয়ার সারা দেশে বইছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকার বিজয় হবে। নৌকা ভাসতে ভাসতে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাসে বন্দরে গিয়ে বিজয় হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের এমপি নিজামউদ্দিন হাজারী, ফেনী-৩ আসনের মহাজোটের প্রার্থী সাবেক সেনা কর্মকর্তা লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক নাজমুল হক নাজিম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী, যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নুরুল করিম জুয়েল, স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদের সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত প্রমুখ।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১