শিরোনাম

চার হাজার সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ হবে

বিশেষ প্রতিনিধি : | শুক্রবার, ০৮ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 144 বার

চার হাজার সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ হবে

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের জন্য ২০১৮ ১৯ অর্থবছরের বাজেটে ২৩ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার (০৭.০৬.২০১৮) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করে তিনি এ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।


অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে আমাদের লক্ষ্য হলো সবার জন্য সুলভে মানসম্মত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেবা নিশ্চিত করা। মোট ২৯টি অপারেশনাল প্ল্যানের আওতায় ২০১৭-২০২২ মেয়াদে সেক্টরওয়াইড কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে মা ও শিশুর জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য ও স্বাস্থ্য সেবা, সবার জন্য মানসম্মত সাধারণ ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নতুন রোগ নিয়ন্ত্রণ, উন্নত ও দক্ষ ঔষধ খাত এবং দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়ন করা হবে।

চলমান মাতৃভাউচার কার্যক্রমকে আরো ২০টি উপজেলায় সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন হাসপাতালের অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শয্যাসংখ্যা বাড়ানো, চিকিৎসা উপকরণের সংস্থান এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের কাজ অব্যাহত আছে।

মুহিত বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য দুই পর্যায়ে মোট ৯ হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। হাসপাতালে ডাক্তার এবং নার্সের অনুপাত ২:১ -এ নিয়ে আসার লক্ষ্যে আরও ৪ হাজার সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া, ২০২১ সালের মধ্যে প্রসবকালীন শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে ৬০০ মিডওয়াইফ নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। সর্বোপরি, চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে প্রতিটি বিভাগে পর্যায়ক্রমে একটি করে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা আমাদের আছে। তিনি বলেন, সাধারণ স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতিকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে হোমিওপ্যাথিক, ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নিয়োগ, ঔষধি বৃক্ষ রোপন ও ভেষজ বাগান সৃজনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। রোগীদের জন্য মানসম্মত সেবা এবং চিকিৎসকদের পেশাগত সুরক্ষা উভয় বিষয়ের যৌক্তিকতা অনুধাবন করে আমরা আইনি কাঠামোতে সংস্কার আনছি। ‘The Medical Practice and Private Clinics and Laboratories (Regulation) Ordinance, 1982’ বাতিল করে ‘চিকিৎসা সেবা আইন’ প্রণয়ন করছি। এছাড়া, দেশের জনগণের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ‘The Lunacy Act 2012’ রহিত করে ‘মানসিক স্বাস্থ্য আইন’ প্রণয়ন করা হচ্ছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১