শিরোনাম

আমারে লেইখ্খা ছিঁড়া লাইবেন, যান লিখেন গিয়া : এজিএম) সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ

গ্রাহকদের সাথে সোনালী ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান শাখা ম্যানেজারের নিয়মিত দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : | বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 1028 বার

গ্রাহকদের সাথে সোনালী ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান শাখা ম্যানেজারের নিয়মিত দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

সোনালী ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান শাখার ম্যানেজার (এজিএম) সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের সাথে নিয়মিত দুর্ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রাহকরা কোন কাজ নিয়ে তার কক্ষে গেল ক্ষিপ্ত আচরণ করছেন। গরু-ছাগল বলে গালাগালও করছেন গ্রাহকদের। গ্রাহকরা কোন অভিযোগ করলে তাদেরকে প্রাইভেট ব্যাংকে চলে যেতে বলছেন।

গতকাল ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ওই শাখায় বিদ্যুৎ সংযোগের জামানতের টাকা জমা দিতে গিয়ে ম্যানেজার (এজিএম) সন্তোষের চরম দুর্ব্যবহারের শিকার হন সাংবাদিক জাবেদ রহিম বিজন ও শফিকুল আলম স্বপন। তারা জানান, দুপুর সোয়া ১টার দিকে বিদ্যুৎ সংযোগের জামানতের টাকা জমা দিতে ওই শাখায় যান। তখন সব কাউন্টার ব্যাংকের কর্মচারী শূন্য দেখতে পান। দুই একজন বসে গল্প করছিলেন। তাদের একজন এটি জমা দেয়ার জন্যে দুপুর ২টার পর আসতে বলেন। এরপর ম্যানেজারের কক্ষে গিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম এই সময়ে বন্ধ কি না জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন ম্যানেজার সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ। বলেন, “হুট করে ম্যানেজার এর রুমে চলে আসে। ছাগল পাগল সবই চলে আসে এখানে। জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী থেকে শুরু করে অনেকে তার সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকে” বলেও জানান সন্তোষ। তার এসব কথা বার্তার এক পর্যায়ে সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পর ক্ষিপ্ততা বেড়ে যায় তার। তিনি তখন বলতে শুরু করেন, সাংবাদিক অইছেন তো কি অইছে। আমারে লেইখ্খা ছিঁড়া লাইবেন। যান লিখেন গিয়া। অন্য ব্যাংকেতো কোন বিরতি নেই বলার পর তিনি বলেন, অন্য ব্যাংকে যা খুশি করুক। এই ব্যাংকে ভালো না লাগলে প্রাইভেট ব্যাংকে চলে যান।


শফিকুল আলম স্বপন বলেন, সোনালী ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ এই শাখায় তার (সন্তোষ) মতো একজন ম্যানেজারকে কিভাবে দায়িত্ব দেয়া হলো সেটাই বোধগম্য হচ্ছেনা।

জাবেদ রহিম বিজন জানান, তারা এ ব্যাপারে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সন্তোষ সোনালী ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান শাখায় যোগদান করার পর আরো অনেক গ্রাহক তার দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন। মাস দুয়েক আগে শহরের টেংকেরপাড় এলাকার বাসিন্দা প্রকৌশলী বকুল তার এক আত্মীয়ের কাজে ম্যানেজারের কাছে গিয়ে দুর্ব্যবহারের শিকার হন। বকুল বলেন, তার আচরণে মনে হয়েছে তার মাথায় সিট আছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১