শিরোনাম

বিজিবি মহাপরিচালক

গরু পাচার বন্ধ হলে কমবে সীমান্ত হত্যা

ব্রাহ্মনবাড়িয়া : | বুধবার, ০৩ আগস্ট ২০১৬ | পড়া হয়েছে 595 বার

গরু পাচার বন্ধ হলে কমবে সীমান্ত হত্যা

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবিতে যুক্ত হলো আরো একটি নতুন ব্যাটালিয়ন। মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের কালিকচ্ছে ১২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদর দফতরে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করলো ৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।

সকাল সোয়া ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এ ব্যাটালিয়নের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। সদর উপজেলার সুলতানপুরে এ ব্যাটালিয়নের সদর দফতর হচ্ছে।
ব্যাটালিয়নের উদ্বোধন শেষে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।


মতবিনিময় সভায় মহাপরিচালক বলেন, ভারত থেকে গরু পাচার করে আনা বন্ধ হলে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড কমে আসবে। ভারতের গরু আমাদের দরকার নেই। এই গরু আসা বন্ধ হলে আমাদের দেশে গরু উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। খাদ্যশস্যের মতো গরুও বিদেশে রফতানি করা যাবে।

বিজিবি মহাপরিচালক আরো বলেন, দিল্লিতে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠকের সময় আমার সঙ্গে বিএসএফ ডিজির বৈঠক হয়েছে। সেখানে আমরা জঙ্গিবাদী কার্যক্রমের মালামাল আনা-নেয়ার এলাকা চিহ্নিত করেছি। জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধের ব্যাপারে যৌথ টহল, পেট্রোল, নজরদারি বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, আমাদের প্রধান দুর্বলতা হচ্ছে সীমান্তে যেমন কাঁটাতার নেই, তেমনি নেই সীমান্ত এলাকায় রাস্তা। ফলে আমাদের কাজের সকল সক্ষমতা, অপারেশন পাওয়ার থাকলেও আমরা সব সময় সঠিক কাজ করতে পারি না। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে খুবই আন্তরিক। তার সরকার সীমান্তে ২৮০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছে। টেকনাফ থেকে এ রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
তিনি আরো বলেন, আমি যখন বিজিবি ভবনে দায়িত্ব নিয়ে প্রবেশ করি তখন সেখানে সেনাবাহিনী গার্ড দিতো। আমি প্রথমদিনই সেনাবাহিনীর গার্ড বন্ধ করে বিজিবির সদস্যদের গার্ড দেয়ার ব্যবস্থা করি।

বিশ্বের যে কোনো দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সঙ্গে আমরা অপারেশন দক্ষতাসহ সবদিক থেকে পাল্লা দিতে পারি। বর্তমানে বিজিবিতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অস্ত্র-গোলাবারুদ সরবরাহসহ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর সংলগ্ন কালন্দি খাল দিয়ে আগরতলা থেকে ময়লা পানি আসার ব্যাপারে বলেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এই খালের পানি শোধন করার জন্য শোধনাগার নির্মাণে ১৭ কোটি রুপি বরাদ্দ দিয়েছে। স্থানীয় সরকার অর্থ পেলেই কাজ শুরু হবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাবিবুল করিম, উত্তর-পূর্ব রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মাসরুর উল্লা, ডেপুটি রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল মো. খালেকুজ্জামান, কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল গাজী মো.আহসানুজ্জামান, ৬০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আমিনুল হক, ১২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. শাহ আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান প্রমুখ।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০