শিরোনাম

খালেদার সিলেট সফর : মহাসড়কের দু’পাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার : | সোমবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 117 বার

খালেদার সিলেট সফর : মহাসড়কের দু’পাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

খালেদা জিয়ার সিলেট মাজার জিয়ারতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মহাসড়কের পাশে ৩টি উপজেলা এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিল পুলিশ। আজ সোমবার (০৫.০২.২০১৮) ভোর থেকেই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুটি বড় হাইওয়ে রেস্তোরাসহ সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় পুলিশ। পাশাপাশি জেলার আশুগঞ্জ সহ বিভিন্ন থানা থেকে বিএনপির নেতা কর্মীসহ ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকেও দাড়াতে দেয়নি পুলিশ। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ প্রবেশ করে খালেদা জিয়ার গাড়ি বহর এবং বেলা এক টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিক্রম করে হবিগঞ্জের মাধবপুরে প্রবেশ করে।
এর আগে সোমবার ভোর থেকেই আশুগঞ্জ, সরাইল ও বিজয়নগরের মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেয় পুলিশ। এ সময় দলীয় নেতা কর্মীরা মহাসড়কে উঠতে চাইলে পুলিশ এতে বাধাঁ দেয়। এসময় পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘঠে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। এদিকে খালেদা জিয়ার সিলেট মাজার জিয়ারতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হাইওয়ে রেস্তোরা উজান ভাটি ও রাজমনিসহ ৪০ কিলোমিটার মহাসড়কের দুই পাশের সকাল থেকেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে কি কারনে হোটেল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে তা বলতে রাজি হয়নি পুলিশ। তবে বিএনপির নেতা কর্মীরা অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া যেন যাত্রাবিরতি দিতে না পারে সেই কারনে হাইওয়ে হোটেল গুলো বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও পুলিশের হয়রানি ও মহাসড়কে সতর্ক অবস্থানের কারনে নেতা কর্মীরা ছাড়াও সাধারণ মানুষকে পর্যন্ত মহাসড়কে পাশে দাড়াতে দেয়নি পুলিশ।
এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম তালুকদার জানান, পুলিশ নয়, গ্যাস সংকট ও হোটেলের বিভিন্ন সংস্কার কাজের জন্য হোটেল বন্ধ করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে কোন বাধাঁ দেয়া হয়নি।
এদিকে জেলার বিভিন্œ এলাকায় পুলিশের অভিযানে ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম খোকন জানান, নেত্রীর সাথে দেখা করার জন্য আমাদের নেতা কর্মীরা রাস্তায় দাড়াতে চাইলে পুলিশের বাধাঁর কারনে তা হয়নি। এছাড়াও কোন প্রকার মামলা মোকাদ্দমা ছাড়াই পুলিশ আমাদের নেতা কর্মীদের হয়রানী করছে।
জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইমতিয়াজ আহমেদ ১৩ জনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হয়রানী নয় নিয়মিত মামলার আসামীদেরই আটক করা হচ্ছে।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১