শিরোনাম

কে হাসবেন শেষ হাসি!

| মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯ | পড়া হয়েছে 276 বার

কে হাসবেন শেষ হাসি!

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের শেষ ধাপে আজ মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন।

চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ তানবীর ভূঁইয়া-(নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী নাছিমা মুকাই আলী-(ঘোড়া), সৈয়দ মাঈনুদ্দিন আহাম্মদ- (আনারস), ফজলুল হক (মোটর সাইকেল) এবং মোসাহেদ হোসেন-(দোয়াত-কলম)।


ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন ৩ জন। এরা হচ্ছেন মাহমুদুর রহমান মান্না- (চশমা), মৃনাল কান্তি চৌধুরী-(মাইক) এবং মোঃ মোখলেছু রহমান লিটন (টিওবওয়েল)।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন ফয়জুন নাহার-(হাঁস) ও সাবিত্রী রানী (কলস)।

এই উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮৭ হাজার ৪৯০ জন এবং নারী ভোটার ৮৩ হাজার ৮৭৩ জন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এখানে ভোট হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ( ইভিএম) এর মাধ্যমে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। উপজেলার ৬৩টি ভোট কেন্দ্রের ৪৬৫টি ভোট কক্ষের সবকটিতেই ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এজন্য প্রতিটি কেন্দ্রে ইভিএম এক্সপার্ট হিসেবে সেনা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মেহের নিগার জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন পরিবেশে ভোট গ্রহণ স¤পন্ন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে প্রশাসন।

তিনি বলেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ৬৩টি কেন্দ্রে মোট ৫৪৫জন পুলিশ, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ১২জন করে ৭৫৬জন আনসার, ২০জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, ১১ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাবের ৬টি টিম নির্বাচনী এলাকায় কাজ করবেন। এছাড়াও নির্বাচন কমিশন থেকে পর্যবেক্ষক এবং টেকনিক্যাল এক্সপার্ট আসবেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোঃ আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচন উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ৬৩টি কেন্দ্রে মোট ৫৪৫জন পুলিশ, অধিকগুরুত্বপূর্ন কেন্দ্রগুলোতে চারজন, গুরুত্বপূর্ন কেন্দ্রগুলোতে তিনজন করে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ইউনিয়ন ভিত্তিক পুলিশের স্টাইকিং ফোর্স, মোবাইল টীম থাকবে। তিনি বলেন, এছাড়াও ১১ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাবের ৬টি টিম, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ১২জন করে ৭৫৬জন আনসার সদস্য নির্বাচনী এলাকায় কাজ করবেন।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫জন প্রার্থী থাকলে মূলত প্রতিদ্বন্দিতা হবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ তানবীর ভূঁইয়া (নৌকা) এর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাছিমা মুকাই আলী (ঘোড়া) এর মধ্যে।

নির্বাচনে বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নাছিমা মুকাই আলী বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমার জয় নিশ্চিত। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী তানবীর ভূইয়ার লোকজন নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করছেন। প্রতিপক্ষের লোকজন নির্বাচন চলাকালীন সময়ে তার গাড়িবহরে হামলা করেছে।

এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ তানভীর ভূইয়া বলেন, নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে তিনি দৃঢ় আশাবাদী। তিনি বলেন, গত ৫ বছর তিনি উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছেন। জনগন এবারো তাঁকে ভোট দেবে।

তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ নাছিমা মুকাই আলী নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করছেন। তার লোকজন আওয়ামীলীগের নির্বাচনী অফিসে হামলা গুলি করেছে। একজন ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছেন। কালো টাকা ছড়িয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি তিনি নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০