শিরোনাম

কর্মচারী বিধিমালা লঙ্ঘন-তদন্তে সত্যতা মিলেছে : নবীনগরে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করলেন শিক্ষক নেতা

নবীনগর প্রতিনিধি : | বৃহস্পতিবার, ০৫ এপ্রিল ২০১৮ | পড়া হয়েছে 151 বার

কর্মচারী বিধিমালা লঙ্ঘন-তদন্তে সত্যতা মিলেছে : নবীনগরে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করলেন শিক্ষক নেতা

নবীনগরে সরকারি কর্মচারীকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় সরকারি কর্মচারী বিধিমালা লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। গতকাল বুধবার লাঞ্ছিত শিক্ষক কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

কে এই শিক্ষক নেতা যিনি শিক্ষক হয়ে তার সহকর্মী আরেক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেন? তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নবীনগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সহকারি শিক্ষক মোঃ মনির হোসেন। উক্ত সমিতির সভাপতি ও ইউআরসি কর্মকর্তাসহ এমন অনেক শিক্ষক তার এহেন আচরণের শিকার হয়েছেন। লোকলজ্জার ভয়ে কেউ মুখ খুলেননি। তবে মুখ খুলেছেন গত ১৮ ফেব্রুয়ারিতে ইউআরসি অফিসে লাঞ্ছিত হওয়া রসুল্লাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিবাদী মো: কামরুজ্জামান। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এর প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।


সূত্র জানায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ইউ.আর.সি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ শেষে ইউ.আর.সি’র কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিন এর সাথে প্রশিক্ষণের বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন শিক্ষক কামরুজ্জামান। এ সময় ওই শিক্ষক নেতা অতর্কিতে ওই কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করে ‘তুই এখানে কি করছিস, বেরিয়ে যা’ বলে যা তা ভাবে গালিগালাজ করে মারতে আসে। ইউ.আর.সি’র কর্মকর্তা ও অফিস সহকারি মোহাম্মদ আলীর সহায়তায় কামরুজ্জামান প্রাণে রক্ষা পায়। পূর্বেও সমিতির সভাপতি সহ এরকম বহু সাধারণ শিক্ষক তার এহেন লাঞ্ছনার শিকার হন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাসুম তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দিলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) জেপি দেওয়ান তদন্ত পুর্বক লাঞ্ছিতের ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন মর্মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, একজন সরকারি কর্মচারি হয়ে আরেকজন সরকারি সহকর্মীকে লাঞ্ছিত করতে পারেন না। এটা সরকারি কর্মচারী বিধিমালা লঙ্ঘন। এটি সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপীল) বিধিমালা ১৯৮৫ এর ২ (এফ) ধারায় ‘কোন কর্মকর্তা বা ভদ্রলোকের পক্ষে অনুচিত শিষ্টাচারহীন কোন আচরণ’ অপরাধ করেছেন।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০