শিরোনাম

অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় শীর্ষে

এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল

স্টাফ রিপোর্টার | মঙ্গলবার, ০৭ মে ২০১৯ | পড়া হয়েছে 514 বার

এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শীর্ষে রয়েছে জেলা সদরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয় থেকে ৩১২জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৩১১জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪২জন। পাশের হার শতকরা ৯৯ দশমিক ৬৮ ভাগ।

এছাড়া জেলা সদরের গভঃ মডেল গালর্স হাই স্কুল থেকে ২১২জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ২১০ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯জন। পাশের হার শতকরা ৯৯ দশমিক ০৬ ভাগ।


জেলা সদরের সাবেরা সোবহান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩২২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৩১৮ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৬জন। পাশের হার শতকরা ৯৮ দশমিক ৭৬ ভাগ।

বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২২৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ২১৭ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪জন। পাশের হার শতকরা ৯৭ দশমিক ৩১ ভাগ।

আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ১৮১ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩জন। পাশের হার শতকরা ৯৮ দশমিক ৯১ ভাগ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২২৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ২১৩ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ জন। পাশের হার শতকরা ৯৪ দশমিক ৬৭ ভাগ।

রামকানাই হাই একাডেমী থেকে ৫৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৫০ জন পাশ করেছে। এই স্কুল থেকে কোন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। পাশের হার শতকরা ৮৯ দশমিক ২৯ ভাগ।

নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৪০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ২২০ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ০৯জন। পাশের হার শতকরা ৯১ দশমিক ৬৭ ভাগ।

আনন্দময়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১৯৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ১৬৯ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ০২ জন। পাশের হার শতকরা ৮৫ দশমিক ৩৫ ভাগ।

সদর উপজেলার চিনাইর আঞ্জুমান আরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৪৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ১৩২ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ০৪ জন। পাশের হার শতকরা ৯০ দশমিক ৪৩ ভাগ।

বিদ্যালয়ের ফলাফলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদা নাজমীন বলেন, ফলাফলে আমরা সন্তুষ্ট। তিনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালে আমাদের একজন ছাত্র অসুস্থ্য হয়ে পরীক্ষা দিতে না পারায় আমরা শতভাগ অর্জন করতে পারিনি। আগামী দিনে ফলাফল যাতে আরো ভালো হয় সেদিকে আমরা খেয়াল রাখব।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১