শিরোনাম

এড. লুৎফুল হাই সাচ্চু স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এর আলোচনা সভায় বক্তাগণ

| বুধবার, ০৮ মার্চ ২০১৭ | পড়া হয়েছে 97 বার

এড. লুৎফুল হাই সাচ্চু স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এর আলোচনা সভায় বক্তাগণ

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছিলো বাঙ্গালী জাতীর স্বাধীনতা সংগ্রামের মূলমন্ত্র।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস উপলক্ষে প্রয়াত জননেতা, সাবেক সাংসদ এড. লুৎফুল হাই সাচ্চু স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে এক আলোচনা সভা গত ৭ মার্চ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টেংকেরপাড়স্থ রয়েল হাসপাতালের দ্বিতীয়তলায় অবস্থিত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এড. লুৎফুল হাই সাচ্চু স্মৃতি পরিষদের আহবায়ক, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা বীরমুক্তিযোদ্ধা আমানুল হক সেন্টুর সভাপতিত্বে আলোচন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাবেক পৌর মেয়র মোঃ হেলাল উদ্দিন। জেলা যুবলীগ নেতা মোঃ সায়েম এর পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী তাজ মোঃ ইয়াছিন, নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কাইয়ুম, নাটাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী মোবারক হোসেন, জেলা জাতীয় পার্টির নেতা মোঃ ইয়াছিন, মোঃ গিয়াস উদ্দিন, যুবলীগ নেতা রেজাওয়ানুল হক মনি, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা মিলি, নাছরিন হাওলাদার শিশির। সভায় বক্তগণ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছিলো বাঙ্গালী জাতীর স্বাধীনতা সংগ্রামের মূলমন্ত্র। ২৪ বছরের পাকিস্থানী স্বৈরশাসন ও শোষণের হাত থেকে মুক্তিরবানী। এ দিনের ভাষণে তিনি বাঙ্গালা জাতিকে চুরান্ত লড়াইয়ে অনুপ্রাণীত করেছিল। তাঁর সেদিনের ভাষণের উদ্দিপনা ছিলো নিরস্ত্র বাঙ্গালীর যুদ্ধের হাতিয়ার। বক্তারা আরো বলেন, আজো ৭ মার্চের ভাষণ শুনলে বোজা যায় তিনি সেদিন স্পষ্ট ভাবেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন। বক্তাগণ নতুন প্রজন্মকে ৭ মার্চের ভাষণ শোনা ও তার প্রেক্ষাপট জানা-বোজার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। সভায় বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০