শিরোনাম

এইচএসসির ফরম পূরণে বাড়তি ফি আদায়ের অভিযোগ

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি : | বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 144 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরের বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণে বাড়তি ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিকার চেয়ে কয়েকজন অভিভাবক গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বিজ্ঞান বিভাগে ২ হাজার ২৭০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১ হাজার ৮৫০ টাকা ফি নির্ধারিত রয়েছে। ১৭ ডিসেম্বর থেকে ফরম পূরণ শুরু হয় এবং ২৬ তারিখ পর্যন্ত চলে। তবে বিলম্ব ফি দিয়ে আগামী ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ফরম পূরণ করা যাবে। এ দিকে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৪ হাজার ১০০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩ হাজার ৬০০ টাকা করে ফি আদায় করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে কয়েকজন অভিভাবক গত বৃহস্পতিবার ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, তারা পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে গেলে শিক্ষকেরা তাদের কাছে ফি বাবদ ৪ হাজার ১০০ টাকা করে চান। বোর্ডের নির্ধারিত ফি’র বেশি টাকা দিতে না চাইলে কয়েকজন শিক্ষক তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারও করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসব শিক্ষার্থী বলে, তারা বাড়তি ফি আদায়ের অভিযোগ করেছেন জানতে পারলে শিক্ষকেরা পরীক্ষার সময় সমস্যার করবেন বলে তারা শঙ্কিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিযোগকারী অভিভাবকেরা জানান, বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় বোর্ডের নির্ধারিত ফি’র চেয়ে বেশি টাকা আদায় করছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এত বেশি টাকা দিতে তাঁদের অসুবিধা হচ্ছে। শিক্ষকদের বলেও কোনও লাভ হয়নি। তাই বেশি টাকা নেওয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ইউএনও’র কাছে তাঁরা লিখিত অভিযোগ করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তৌহিদ জানান, গত শনিবার ওই কলেজে গিয়ে বাড়তি টাকা আদায়ের বিষয়টি জানতে পেরে ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলে অধ্যক্ষ আবদুর রহিম সাহেবকে বাড়তি টাকা নিতে নিষেধ করেছি আমি। পরে বিষয়টি আর জানি না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরিফুল ইসলাম জানান, বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজে এইচএসসির ফরম পূরণে বাড়তি টাকা আদায়ের বিষয়ে কয়েকজন অভিভাবক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পরে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে কলেজে পাঠিয়ে এর সত্যতা পেয়েছি। অধ্যক্ষকে বাড়তি ফি নিতে নিষেধ করা হয়েছে। আবার অভিযোগ এলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।
অধ্যক্ষ আবদুর রহিম বাড়তি ফি আদায়ের বিষয়ে ইউএনও’র বক্তব্য বিষয়ে বলেন, ইউএনও সাহেব কী বলেছেন তা আমি জানি না। তবে কলেজে কারও কাছ থেকে বাড়তি কোনো টাকা আদায় করা হয়নি।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০