শিরোনাম

ইভটিজিংয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরাইলে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত-২৫

সরাইল প্রতিনিধি : | মঙ্গলবার, ২২ মে ২০১৮ | পড়া হয়েছে 143 বার

ইভটিজিংয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরাইলে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত-২৫

ইভটিজিংয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পৃথক সংঘর্ষে ২৫জন আহত হয়েছে। গতকাল সোমবার (২১.০৫.২০১৮) দিবাগত রাতে উপজেলার সদরের কুট্টাপাড়া ও হালুয়াপাড়া গ্রামবাসীর মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, গত সোমবার দুপুরে সরাইল বিকাল বাজার হাজী সুপার মার্কেটে শপিং করতে যায় সদর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রী। এ সময় উপজেলার হালুয়াপাড়া গ্রামের হুমায়ূন মিয়ার ছেলে মোঃ আরমান মিয়া ওই ছাত্রীর সাথে কথা বলার চেষ্টা করে। স্কুল ছাত্রী তার সাথে কথা না বলায় পরে আরমান তার হাত থেকে মোবাইল ফোনটি নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এনিয়ে দু’জনের মধ্যে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে আরমান স্কুল ছাত্রীকে কয়েকটি থাপ্পর মারে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে মার্কেটের ব্যবসায়িরা আরমানকে আটক করে মারধর করে।


সন্ধ্যার পর আরমান ২০/২৫ জন যুবককে নিয়ে এসে মার্কেটে প্রবেশ করে দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এসময় দোকানী তপুকে মারধর করে।

তপুকে মারধোরের খবরে তার গ্রাম কুট্টাপাড়ার লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাত ৯টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন অন্নদা স্কুল মোড়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়। খবর পেয়ে রাত ১০টায় পুলিশ ১২ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আশেপাশের প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়। স্কুল ছাত্রীর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ আরমান ওই ছাত্রীকে ইভটিজিং এর পর অপহরণের চেষ্টা করেছিল। ব্যবসায়িরা ছাত্রীকে রক্ষা করেছেন। আরমান মিয়া বলেন, মেয়েটির সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ওইদিন মার্কেটে তার সাথে কথা বলতে চাইলে আমার সাথে দূর্ব্যবহার করে। আমি ক্ষুব্ধ হয়ে মেয়েটিকে থাপ্পর দিয়েছি।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই মামলা করেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০