শিরোনাম

ইফতারের ফজিলত

| বুধবার, ০৬ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 73 বার

ইফতারের ফজিলত

মাহে রমজানে ইফতার এক অনন্য বরকতময় এবাদত। ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া কবুল হয়।

ইফতার আরবি শব্দ, আভিধানিক অর্থ খাবার খাওয়া। শরিয়তের পরিভাষায় রোজাদার সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে রোজা ভঙ্গ করার উদ্দেশ্যে রাসুল(সা:)এর সুন্নাত মোতাবেক যে খাবার গ্রহণ করে তাকে ইফতার বলা হয়।
ইফতার করা ও একটি এবাদত। রোজা রাখা ফরজ, আর ইফতার করা সুন্নত।


হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস(রা:) হতে বর্ণীত, রাসুল(সা:)এরশাদ করেছেন, ইফতারের সময় রোজাদারের একটি দোয়া ও প্রত্যাখ্যাত হয়না,(ইবনে মাজাহ)।
রাসুল(সা:)বলেন, লোকেরা ততক্ষণ কল্যাণে থাকিবে যতক্ষণ তারা তাড়াতাড়ি ইফতার করবে।(বুখারী,মুসলিম)।

আল্লাহতায়ালা বলেন, আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় সেই বান্দাহ যে সঠিক সময়ে ইফতার করে,(তিরমিজি)।

ইফতারের সময় অত্যন্ত মূল্যবান একটি সময়। এ সময় আল্লাহতায়ালা রোজাদারদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন।
ফেরেশতাদের কাছে আল্লাহতায়ালা রোজাদারদের নিয়ে গর্ব করতে থাকেন। ইফতার পর্যন্ত রোজাদারদের জন্য ফেরেশতাগণ দোয়া করতে থাকেন,(আল হাদিস)।

রাসুল(সা:)বলেছেন, রমজান মাসে কোন রোজাদারকে যদি কেহ ইফতার করায় তাহলে ঐ ইফতার করানোটা তার গুনাহ মাফের ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হবে।এবং সে ঐ রোজাদার ব্যক্তির সমপরিমাণ সওয়াব পাবে,অথচ রোজা পালনকারীর নেকী মোটে ও কমানো হবে না।সাহাবিরা বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাদের মধ্যে এমন ও আছে যাদের অন্যকে ইফতার করানোর সামর্থ নেই,যাদিয়ে তারা একজন রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতার করাতে পারে। জবাবে রাসুল(সা:)বলেন, যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে এক ঢোক দুধ অথবা একটি খেজুর অথবা এক ঢোক পানি দিয়ে ও ইফতার করাবে তাকে ও ঐ সওয়াব দেওয়া হবে।

আর যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে পরিতৃপ্তি সহকারে ইফতার করাবে আল্লাহতায়ালা তাকে আমার হাউজে কাওসার থেকে এমনভাবে পানি পান করাবে যার ফলে সে জান্নাতে পৌঁছানোর পর্যন্ত আর তৃষ্ণার্ত হবেনা। (মিশকাত)।
আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলকে রাসুল(সা:)এর তরিকা অনুযায়ী ইফতার সহ মাহে রমজানের সকল এবাদত করার তাওফিক দান করুণ, আমিন।

লেখক
মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান
শিক্ষক
জামিয়া কোরআনিয়া সৈয়দা সৈয়দুন্নেছা ও কারিগরি শিক্ষালয় কাজীপাড়া,ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১