শিরোনাম

ইতিকাফ এক অনন্য এবাদত

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | মঙ্গলবার, ০৫ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 332 বার

ইতিকাফ এক অনন্য এবাদত

রাসুল (সা:) রমজানের শেষ দশদিন ইতেকাফ করতেন। হজরত আয়েশা (রা:) হতে বর্ণীত আছে যে, নবী (সা:) রমজান মাসে শেষ দশক ইতিকাফ করতেন ওফাতের আগ পর্যন্ত।

ইমামে আযম ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর মতে রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদায়ে কেফায়া। রমজান মাসের শেষ দশকে অর্থাৎ বিশ রমজান সূর্যাস্তের পূর্ব হতে রমজানের শেষদিন সূর্যাস্তের পর পবিত্র ঈদুল ফিতর এর চাঁদ উঠা অব্দি আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের আশায় মসজিদে অবস্থান করা সুন্নাত।
ইতিকাফের গুরুত্ব সীমাহীন। যার মাধ্যমে মহিমান্বিত লাইলাতুলকদর নসীব হয়ে যেতে পারে।
ইতিকাফ শুধু পুরুষের জন্য নয়।মহিলারা ও তাদের নিজ গৃহে ইতিকাফ করে আল্লাহর নৈকট্য লাভে এবাদত মশগুল হতে পারেন।


যে ব্যক্তি এবাদতের নিয়তে সওয়াবের আশায় ইতিকাফ করে তার সকল সগিরা গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।মহিলাদের ইতিকাফের নিয়ম হলো তারা ঘরের ভিতর একটু আড়াল করে বা নামাজের নির্দিষ্ট স্থানে ইতিকাফ বসবে। যেখানে তাদের পর্দার যাবতীয় শর্তাবলি পাওয়া যাবে এবং সকলদিক বিবেচনা করে নিরাপদ হয়। মহিলাদের জন্য মসজিদে ইতিকাফ করা মাকরুহে তাহরীমী।
মহিলাদের ইতিকাফের জন্য স্বামীদের অনুমতি অত্যাবশ্যক।

ইতিকাফের জন্য শর্তাবলি :
* এমন মসজিদে ইতিকাফ করতে হবে, * যেখানে নামাজের জামাত হয়, *ইতিকাফের নিয়ত করতে হবে, * মহিলাদের হায়েয নেফাস শুরু হলে ইতিকাফ ছেড়ে দিতে হবে। * মহিলারা ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে ইতিকাফ করিবে।

ইতিকাফে বিশেষ কোন এবাদত শর্ত নয়। যেকোনো নফল নামাজ, যিকির আযকার, কোরআন তেলাওয়াত, দ্বীনি কিতাবাদী অধ্যয়ন করা সহ যেকোনো এবাদত ই করা যাবে।

ইমামে আযম ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)বলেন, বিনা প্রয়োজনে মসজিদ থেকে সামান্য সময়ের জন্য বের হলে ও ইতিকাফ নষ্ট হয়ে যাবে।কেননা এটা ইতিকাফের পরিপন্থী কাজ।

লেখক
মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান
শিক্ষক,জামিয়া কোরআনিয়া সৈয়দা সৈয়দুন্নেছা ও কারিগরি শিক্ষালয়
কাজীপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০