শিরোনাম

দাখিল পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের এমসিকিউর উত্তর সরবরাহের দায়ে

আশুগঞ্জে ৫ শিক্ষকের কারাদণ্ড ॥ কেন্দ্র সচিব-হল সুপার প্রত্যাহার

আশুগঞ্জ প্রতিনিধি | মঙ্গলবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | পড়া হয়েছে 426 বার

আশুগঞ্জে ৫ শিক্ষকের কারাদণ্ড ॥ কেন্দ্র সচিব-হল সুপার প্রত্যাহার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার আশুগঞ্জ সারকারখানা স্কুল এন্ড কলেজের মাদরাসা কেন্দ্রে চলমান দাখিল পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের এমসিকিউ’র উত্তর সরবরাহ করার দায়ে ৫ শিক্ষককের প্রত্যেককে দুই বছরের কারাদন্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এই সময় দায়িত্বে অবহেলার জন্য ওই কেন্দ্রের সচিব ও হলসুপারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজিমুল হায়দার এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার চর-চারতলা ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার সহকারী সুপার মোঃ মাজহারুল ইসলাম-(৪২) একই মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম-(৩৫), খোলাপাড়া ওমেদ আলী শাহ দাখিল মাদরাসার সহকারী সুপার মোঃ মহিউদ্দিন-(৩৮), তালশহর করিমিয়া ফাজিল মাদরাসার প্রভাষক কবির হোসেন-(৪০) ও সরাইল উপজেলার পানিশ্বর মাদানিয়া গাউছিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী সুপার আব্বাস আলী-(৫০)।


ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার সকালে আশুগঞ্জ উপজেলার আশুগঞ্জ সারকারখানা স্কুল কেন্দ্রে ছিলো দাখিল পরীক্ষার কোরআন মাজিদ ও তাজিভিদ পরীক্ষা।

পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে দায়িত্ব না থাকা সত্ত্বেও বহিরাগত হিসেবে পাঁচ শিক্ষক ওই কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করেন। কেন্দ্র সচিবের পাশের কক্ষে ওই পাঁচ মাদরাসা শিক্ষক কোরআন মাজিদ ও তাজিভিদের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র প্রস্তুত করতে থাকেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাজিমুল হায়দার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হোসেন কেন্দ্রে পরিদর্শনে যান। এক পর্যায়ে উত্তরপত্র শিক্ষার্থীদের সরবরাহের সময় দেখতে পেয়ে পাঁচ শিক্ষককে আটক করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। পরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে পাঁচ শিক্ষককে দুই বছর করে কারাদন্ড এবং প্রত্যেককে ১০হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। এ সময় দায়িত্বে অবহেলার কারণে ওই কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে থাকা উপজেলার আড়াইসিধা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ.বি.এম সিদ্দিকুর রহমান ও হল সুপারের দায়িত্বে থাকা উপজেলার নাওঘাট দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রউফ অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজিমুল হায়দার জানান, পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইনের ১৯৮০ এর ধারা ৯ (ক) মোতাবেক প্রত্যেককে দুই বছরের কারাদন্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। তিনি জানান, দায়িত্বে অবহেলার জন্য ওই কেন্দ্র সচিব ও হল সুপারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০