শিরোনাম

আশুগঞ্জে ১৭শ টন স্টিল পাইপ নিয়ে ভারতীয় জাহাজ

আশুগঞ্জ প্রতিনিধি : | মঙ্গলবার, ০৮ মে ২০১৮ | পড়া হয়েছে 152 বার

আশুগঞ্জে ১৭শ টন স্টিল পাইপ নিয়ে ভারতীয় জাহাজ

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৭৩১টন স্টিল পাইপ নিয়ে একটি জাহাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ নৌবন্দরের কাছে মেঘনা নদীতে নোঙ্গর করেছে। রবিবার দিবাগত রাতে ভারতীয় জাহাজ এমভি মহাদেব এই স্টিল পাইপ নিয়ে নৌবন্দরের জলসীমানায় পৌছে। কাস্টমস আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী শনিবার থেকে এসব স্টিল পাইপ আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ত্রিপুরার আগরতলা পাঠানোর কথা রয়েছে। ১৯৭২ সালের নৌ প্রটোকল চুক্তির ট্রান্সশিপমেন্ট এর আওতায় জলপথ ও স্থলপথ ব্যবহার করে এই স্টিল পাইপ নিচ্ছে ভারত। এই চুক্তির আওতায় এর আগে মানবিক কারণ দেখিয়ে ভারত প্রথমে পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারী যন্ত্রাংশ ও পরে কয়েক দফায় ফ্লায়েস, রড, স্টিল সিট, চাল পরিবহন করেছে।

নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া বন্দর থেকে পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৭৩১ টন স্টিল পাইপ নিয়ে ছেড়ে আসে ভারতীয় জাহাজ এমভি মহাদেব। গত ৩০ এপ্রিল এমভি মহাদেব বাংলাদেশের জল সীমানায় প্রবেশ করে এবং গত রবিবার দিবাগত রাতে আশুগঞ্জ নৌবন্দরে পৌছে।


জেলা কাস্টমস কর্মকর্তা ও নৌবন্দর কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে আগামী শনিবার জাহাজটির সিলগালা খোলে এসব স্টিল পাইপ জাহাজ থেকে খালাস করে ট্যাংকলরিতে করে ত্রিপুরায় পাঠানো হবে। বাংলাদেশের গালফ ওরিয়েন সিওয়েজ নামে একটি শিপিং এজেন্ট এই পাইপ পরিবহন ঠিাকাদার হিসাবে কাজ করছে। ভারতের কলকাতা থেকে ত্রিপুরা রাজ্যে স্টিল পাইপ পরিবহনে বাংলাদেশের ৪শত কিলোমিটার নৌপথ ও ৫০ কিলোমিটার সড়কপথ এবং আশুগঞ্জ নৌবন্দর ও আখাউড়া স্থলবন্দর ব্যবহার করছে ভারত।

তবে এসব পণ্য পরিবহনে বাংলাদেশ ভয়েজ পারমিশন ফি, পাইলট অবস্থান ফি, ল্যান্ডিং ফি, চ্যানেল চার্জ, নিরাপত্তা ফি বাবদ প্রতিটনে ১৯২টাকা পেলেও কোন প্রকার শুল্ক দিচ্ছে না ভারত। এ ব্যাপারে গালফ ওরিয়েন সিওয়েজ শিপিং এজেন্টের লজেস্টিক ম্যানেজার নুরুজ্জামান জানান, পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৭৩১টন স্টিল পাইপ নিয়ে এমভি মহাদেব নামে একটি ভারতীয় জাহাজ রবিবার আশুগঞ্জে পৌছেছে। কাস্টমস আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী শনিবার থেকে এসব পাইপ ট্যাংকলরির মাধ্যমে ত্রিপুরায় পাঠানো শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ নৌবন্দরের পরিদর্শক মো. শাহ আলম জানান, এই পাইপ পরিবহনে বাংলাদেশ প্রতি টনে ভয়েজ পারমিশন ফি, পাইলট অবস্থান ফি, ল্যান্ডিং ফি, চ্যানেল ফি, নিরাপত্তা ফিসহ প্রতিটনে ১৯২ টাকা পাবে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১