শিরোনাম

সালিশে বিরোধ মিমাংসার তারিখ নির্ধারনের পর

আশুগঞ্জে দু’দল গ্রামবাসীর মধ্যে ফের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত অর্ধশতাধিক

শফিকুল ইসলাম সোহেল | শনিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২০ | পড়া হয়েছে 100 বার

আশুগঞ্জে দু’দল গ্রামবাসীর মধ্যে ফের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত অর্ধশতাধিক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে সালিশকারকরা সংঘর্ষের ঘটনা সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার তারিখ নির্ধারন করার পর ফের দু’দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয়পক্ষের অর্ধ শতাধিক লোক আহত হয়েছে।

শনিবার (১১জানুয়ারি ২০২০) সকালে উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের বার ঘরিয়া গোষ্ঠী ও নাজির গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ব্যাপক লাঠিপেটা, ২০৯ রাউন্ড রাবার বুলেট এবং ৩৩ রাউন্ড টিয়ারশেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৯ দাঙ্গাবাজকে আটক করেছে।

আহতরা আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি ও চিকিৎসা নেয়।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, শুক্রবারের সংঘর্ষের জের ধরে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দূর্গাপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের বার ঘরিয়া গোষ্ঠী ও নাজির গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ব্যাপক লাঠিপেটা, ২০৯ রাউন্ড রাবার বুলেট এবং ৩৩ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে দুপুর ১২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

দেড়ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে পুলিশের এ.এস.আই এমদাদ হোসেন, কনস্টেবল আবু বকরসহ উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। পুলিশ সংঘর্ষস্থল থেকে ৯ দাঙ্গাবাজকে আটক করে।

আহতরা আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি ও চিকিৎসা নেয়।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকসার ভাড়াকে কেন্দ্র করে দূর্গাপুর গ্রামের বার ঘরিয়া গোষ্ঠীর মহরম মিয়ার সাথে একই এলাকার নাজির গোষ্ঠীর সিএনজি চালক সুমনের কথা কাটাকাটি ও হতাহাতি হয়। এর জের শুক্রবার উভয় গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে দুই পুলিশসহ উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শুক্রবারের সংঘর্ষের শালিসের মাধ্যমে মীমাংসা করার গতকাল শনিবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক হাজী মোঃ ছফিউল্লাহ মিয়া, দুর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জিয়াউল করিম সাজু খান ও আওয়ামী লীগ নেতা ইলিয়াছসহ ৪-৫ জনের একটি প্রতিনিধিদল দূর্গাপুর গ্রামে গিয়ে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে বিরোধ মীমাংসাকল্পে আগামী সোমবার সালিশ সভার তারিখ নির্ধারণ করে চলে আসার পর পরই উভয় গোষ্ঠীর লোকজন পুনরায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জাবেদ মাহমুদ জানান পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রনে আছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বলেন, সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ২০৯ রাউন্ড রাবার বুলেট এবং ৩৩ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। ঘটনাস্থল থেকে ৯ দাঙ্গাবাজকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, শুক্রবারের ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১