শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ সম্মেলনে

আবদুল জব্বারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের বিচার দাবি করলেন পরিবারের সদস্যরা

স্টাফ রিপোর্টার | বুধবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | পড়া হয়েছে 201 বার

আবদুল জব্বারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের বিচার দাবি করলেন পরিবারের সদস্যরা

নবীনগরে ব্যবসায়ী আবদুল জব্বারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের বিচার চেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। গত মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে তার স্ত্রী আম্বিয়া বেগম ও ছেলে মোঃ আকতার হোসেন এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবি জানিয়ে বলেন, মামলার স্বাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। মামলা উঠিয়ে নিতে চাপ দেয়া হচ্ছে তাদেরকে। হয়রানী করতে বাদী-স্বাক্ষীর বিরুদ্ধে মামলাও দেয়া হয়। এর আগে মামলা করার পরপরই মারধোর করা হয় বাদী আকতারকে। ওই ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া রয়েছেন জব্বারের পরিবারের সদস্যরা। গাছ বিক্রির নামে টাকা নিয়ে আত্মসাত এবং পরবর্তীতে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে লহরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুমন আহাম্মদ (৩০) ও পরিচালনা কমিটির সদস্য তৌফিকুর রহমান স্বপন (২৭) এর বিরুদ্ধে মামলা করেন আবদুল জব্বারের ছেলে আকতার হোসেন। সুমন ও স্বপন লহরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬টি গাছ তার পিতার কাছে ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। গাছ কাটতে গেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাধা দেন। এরপর সুমন ও স্বপন গাছ কাটার বিষয় নিয়ে টালবাহানা শুরু করে এবং টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। গাছ কেনার জন্যে কর্জ করে আনা টাকা ফেরত দিতে না পারায় পাওনাদারদের চাপে দিশেহারা হন জব্বার। গত ২ ফেব্রুয়ারী কালগড়া বাজারে তাদেরকে পেয়ে গাছ দিতে না পারলে টাকা ফেরত দিতে বলেন। টাকা ফেরত না পেলে তার মৃত্যু ছাড়া উপায় নেই বললে তারা তাকে কেরির বড়ি (বিষজাতীয়) খেয়ে আত্মহত্যা করতে বলে। এই প্ররোচনায় ৪দিন পর ৬ ফেব্রুয়ারী আত্মহত্যা করেন জব্বার।

সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মামলার স্বাক্ষী জামাল মিয়া, তৌহিদ মিয়া, মো: জাকারিয়া, হাবিব উল্লাহ এবং জব্বারের স্ত্রী আম্বিয়া বেগম, বাদী ও তাদের লোকজনকে দুই আসামী ও তাদের লোকজন প্রতিনিয়ত প্রাণ নাশের হুমকী দিচ্ছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরাও আসামীদের পক্ষ নিয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্যে চাপ দিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া আদালতের নির্দেশে নবীনগর থানা পুলিশের এসআই মো: রুবেল ফরাজী ১৭ জুলাই আদালতে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। কিন্তু ওই প্রতিবেদনে এসআই স্বাক্ষীদের মনগড়া বক্তব্য তুলে ধরেন। এতে জব্বারের মৃত্যুর বিচার পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১