শিরোনাম

আজ ১১ ডিসেম্বর আশুগঞ্জ মুক্ত দিবস

স্টাফ রিপোর্টার : | সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 105 বার

আজ ১১ ডিসেম্বর আশুগঞ্জ মুক্ত দিবস

আজ সোমবার (১১.১২.২০১৭) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনেই স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করে আশুগঞ্জকে হানাদার মুক্ত ঘোষনা করেছিলেন। ১৯৭১ সালে যখন পাক বাহিনী দেশব্যাপী নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। ৯ ডিসেম্বর আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে পাকবাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক যুদ্ধহয় মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর। এ সময় মুক্তি ও মিএবাহিনীর ঙ্গ্রায় তিন শতাধীক সেনা সদস্য মৃত্যুবরণ করে।

এসময় পাকবাহিনীর প্রায় শতাধীক লোক নিহত হয়। ১০ডিসেম্বর মিত্রবাহিনী ও বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাড়া রাত ব্যাপী প্রস্তুতি নিয়ে ভোর বেলায় আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের রেষ্ট হাউজে অবস্থান করে ব্যাপক যুদ্ধ হলে পাকবাহিনী রাতে আশুগঞ্জ থেকে পাশ্ববর্তী ভৈরবে পালিয়ে যায়। পাক বাহিনী আশুগঞ্জ থেকে পালিয়ে ভৈরব যাওয়ার সময় মেঘনা নদীর উপর নির্মিত রেল সেতুর একাংশ ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেয়। এতে সেতুর ২টি স্প্যান ভেঙ্গে নদীতে পড়ে যায়। পরে ১১ডিসেম্বর সকালে বিনা বাধায় আশুগঞ্জ বাজার এলাকা দখল করে মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধারা। এতে শত্রু মুক্ত হয় আশুগঞ্জ।


ঐ সময় যুদ্ধে নেতৃত্ব সুসংগঠিত করতে যোগ দিয়েছিলেন তৎকালীন লেঃ কর্ণেল কে এম সফিউল্লাহ, লেঃ কর্ণেল মোর্শেদ, মেজর নাসির, ক্যাপ্টেন মোঃ নাসিম, ক্যাপ্টেন মতিনসহ আরো অনেকে। আশুগঞ্জকে মুক্ত করতে গিয়ে পাক হানাদারের সাথে যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন সুবেদার সিরাজুল ইসলাম, ল্যান্স নায়েক আব্দুল হাই ও সিপাহী কপিল উদ্দিন প্রমুখ।

পাকবাহিনী বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন ধরে এনে সাইলোর কাছে, মেঘনা নদীর উপর নির্মিত রেল সেতুর কাছে, ধানের আড়তের মাঠে, মাছ বাজারে, রেল ষ্টেশনের কাছে আশুগঞ্জের ৫টি স্পটে নির্মমভাবে নিরীহ লোকদের ধরে এনে নির্বিচারে পাখিরমত গুলি করে হত্যা করে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে আশুগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১