শিরোনাম

আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

স্টাফ রিপোর্টার : | শুক্রবার, ১৫ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 195 বার

আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

এক মাস সিয়াম সাধনার পর খুশির ঈদ সমাগত। আজ চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল সারা দেশে উদযাপিত হবে মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তম উৎসব ঈদুল ফিতর। এবারের পবিত্র রমজান মাস ২৯ দিনের হলে আজ চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে আবহাওয়া অধিদফতর ও বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল সোসাইটি জানিয়েছে, আজই চাঁদ দেখা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আগামীকাল সারা দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আজ চাঁদ দেখা না গেলে স্বাভাবিক নিয়মেই রবিবার ঈদ উদযাপিত হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আজ সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৈঠকে বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। এতে সভাপতিত্ব করবেন কমিটির সভাপতি ও ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। সেখানেই চূড়ান্ত হবে ঈদ আগামীকাল,না পরশু।

ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে আজ বিকাল থেকেই শাওয়ালের চাঁদ দেখার জন্য অগণিত মুসলিম আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকবেন। গত মধ্যরাতে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে। সেখানে আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।


ঈদুুল ফিতর মুসলিম বিশ্বের জন্য এক আনন্দঘন উৎসব। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে ছেলে, বৃদ্ধ সবাই শামিল হবেন ঈদগাহ ময়দানে। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোলাকুলি করবেন একে অপরের সঙ্গে। দোয়া ও মোনাজাত করবেন বিশ্ব মুসলিমের ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং মুসলিম জাহানের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনার অঙ্গীকারে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের প্রায় প্রতিটি ঘরে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সাধ্যমতো সব পরিবারই নতুন জামা-কাপড় কিনেছে। খাবার তৈরির জন্য কেনা হচ্ছে সেমাই, চিনি, দুধসহ সুস্বাদু খাদ্যসামগ্রী। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের আগে দরিদ্র লোকদের ফিতরা-যাকাত দিয়ে থাকেন। এবারের সর্বনি¤œ ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। ইসলামের বিধান অনুযায়ী ঈদের জামাতের আগেই ফিতরা পরিশোধ করে দিতে হয়।

ঈদে রোগীদের জন্য হাসপাতাল এবং এতিমখানা ও বন্দিদের জন্য জেলখানায় থাকবে বিশেষ খাবারের আয়োজন। সরকারি শিশুসদন, ছোটমণি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রম, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র এবং দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রে থাকবে উন্নতমানের খাবার এবং বিনোদনের ব্যবস্থা। দেশের সব কারাগারে পরিবেশন করা হবে উন্নতমানের খাবার। এরই মধ্যে ঈদের আনন্দ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। নাড়ির টানে মানুষ ছুটছে মফস্বল শহর ও গ্রামের পানে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যরাও নিজ নিজ এলাকায় জনগণের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করবেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজী পাড়াস্থ জেলা ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮ টায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সমবেত হয়ে বৃহৎ এ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। তবে বৈরী আবহাওয়া থাকলে জেলা জামে মসজিদে একই সময়ে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মাওলানা নোমান হাবিব এর ইমামতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামাজিক সংগঠণের নেতৃবৃন্দসহ সকল শ্রেণীর ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নামাজে অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়াও শেরপুর ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৯ টায়, জেলা সদর হাসপাতাল মসজিদ সংলগ্ন মাঠে সকাল ৯টায়, লোকনাথ দীঘি পাড় (টেংকেরপাড়) মাঠে সকাল ৯ টায়, পুনিয়াউট আমির হামজা মসজিদ প্রাঙ্গণে সকাল ৯ টায়, স্টেডিয়াম মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায়, ভাদুঘর শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সাড়ে ৮টায়, ভাদুঘর জামিয়া সিরাজীয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা এবং ফাটাপুকুর জামে মসজিদে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে এবং জেলার সকল গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় ঈদগাহ কমিটির নির্ধারিত সময়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা হবে। তবে বৃষ্টি হলে স্থানীয় মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহ ও সকলের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০