শিরোনাম

আখাউড়া-লাকসাম ডাবল রেল লাইন সঠিক সীমানা নির্ধারনের দাবিতে সভা

আখাউড়া প্রতিনিধি : | শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 173 বার

আখাউড়া-লাকসাম ডাবল রেল লাইন সঠিক সীমানা নির্ধারনের দাবিতে সভা

আখাউড়া-লাকসাম ডাবল রেল লাইন প্রকল্পের পৌরশহরের দেবগ্রাম অংশে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং সীমানা চিহ্নিত করে কাজ করার দাবি জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী। আজ শনিবার (১৮.১১.২০১৭) সকালে দেবগ্রাম পশ্চিম পাড়া মসজিদ মাঠে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ দাবি জানানো হয়।

দেবগ্রাম সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে আবুল হাসেমের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন পৌর কাউন্সিলর বাবুল মিয়া, হাজী নান্নু মিয়া, নোয়াব মিয়া, মো: ফারুক প্রমুখ।


এসময় বক্তারা বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ আমাদের সাথে সীমানা চিহ্নিত করার আগেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জোর করে আমাদের গাছ-পালা কেটে ফেলছে। বাড়ির ভিতরে লাল নিশানা দিয়ে খুঁটি দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করে এবং সীমানা চিহ্নিত করে কাজ করার দাবি করেন তারা।

এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি আখাউড়া-লাকসাম রেলপথে ডাবল রেল লাইন নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে তমা গ্রুপ। ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য বর্তমান রেল লাইনের উভয় পাশে জায়গা ভরাটের কাজ চলছে। দেবগ্রাম অংশে রেল কর্তৃপক্ষ বলেছিল রেললাইনের পূর্ব পাশে ৩৮ ফুট এবং পশ্চিম পাশে ৫২ ফুট পর্যন্ত রেলওয়ের জায়গা। কিন্তু নির্মাণ প্রতিষ্ঠান তমা গ্রুপের লোকজন কাউকে কিছু না বলে পূর্ব দিকে ৫২ ফুট এবং পশ্চিম দিকে ৬২ ফুট দূরে লাল নিশানা দিয়ে খুঁটি বসিয়েছে।

রেলের পূর্বের নির্ধারিত জায়গা থেকে খুঁটিগুলো অনেক বেশি ভিতরে বসানো হয়েছে। এতে বহু বাড়ি-ঘর, দোকানপাট, পুকুর ও মসজিদ ভাঙা পড়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। এদিকে ক্ষতি পূরণের টাকা না পাওয়া এবং সীমানা চিহ্নিত না করে খুঁটি বসানোর জন্য বসত ভিটা হারানোর আতঙ্কে ভুগছেন বহু পরিবার।

ক্ষতিগ্রস্ত কাউছার মিয়া বলেন, আমার সামান্য একটু ভিটে ছাড়া আর কোন জমি জমা নাই। এই জায়গাটুকু রেল নিয়ে গেলে আমি কোথায় গিয়ে থাকবো। আমার ছোট চা স্টলের সামান্য আয় দিয়ে সংসার চলে। দোকানটিও ভাঙা পড়ছে। আমি এখন কী করব।

দেব্রগাম সংগ্রাম কমিটির সভাপতি আবুল হাসেম বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ বলেছিল রেলের পূর্ব পাশে ৩৮ ফুট এবং পশ্চিম পাশে ৫২ ফুট পর্যন্ত রেলওয়ের জায়গা। কিন্তু এখন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান পূর্বে ৫২ ফুট এবং পশ্চিম পাশে ৬২ ফুট দূরে লাল নিশানা দিয়ে খুঁটি বসিয়েছে। এতে মানুষের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

প্রায় ৩ শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে মাত্র এক তৃতীয়াংশ ক্ষতি পূরণ পেয়েছে। বাকীরা এখনও ক্ষতিপূরণ পায়নি। রেল কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের অনুরোধ বকেয়া ক্ষতি পূরণ পরিশোধ এবং সীমানা চিহ্নিত না করা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখুন।

পৌর কাউন্সিলর মো: বাবুল মিয়া বলেন, দেশের স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে আমরা জায়গা দিতে রাজি। তবে আমাদের সাথে রেলের সীমানা নির্ধারণ করে ক্ষতিগ্রস্তদেরকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে কাজ করা হউক।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০