শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাচন

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী মাহমুদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা ॥ ভয়-ভীতি দেখানোর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার | বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | পড়া হয়েছে 316 বার

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী মাহমুদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা ॥ ভয়-ভীতি দেখানোর অভিযোগ

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাচন। নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচিত হলে একটি দুর্নীতিমুক্ত, জনবান্ধব ও আলোকিত পৌরসভা গঠন করবেন বলে ঘোষনা করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী মাহমুদুল হক ভূইয়া (মোবাইল ফোন প্রতীক)।

বুধবার ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মাহমুদুল হক ভূইয়া তার ১৭ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনাকালে একথা বলেন।


১৭ দফা ইশতেহারে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে পৌরসভা কার্যালয় হবে দুর্নীতিমুক্ত, ১২টি ওয়ার্ডের সড়কে এলইডি লাইট স্থাপন করে আলোকিত শহর গড়া, একটি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, কার্যকরী মশক নিধন অভিযান, তিতাস নদীর কুল ঘেষে পৌর এলাকার ভাদুঘর বাজার থেকে মেড্ডা কাচা বাজার পর্যন্ত রাস্তা নির্মান, প্রতিটি ওয়ার্ডে পাবলিক টয়লেট নির্মান, তিতাস নদীর তীরে বিনোদন কেন্দ্র নির্মান, মাদক, কিশোর গ্যাং ও ইভটেজিং দমন, একটি বহুতল বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মান, পৌর সভার ১২টি ওয়ার্ডকে সিসি টিভির আওতায় আনা, যানজট নিরসনে পৌরসভার উদ্যোগে নিজস্ব ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু, পৌরকর সহনীয়, শহরের খালগুলো দখলমুক্ত করে পুনঃখনন ও খালের সৌন্দর্যবর্ধন সন্ত্রাস.ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজদের কবল থেকে নাগরিকদের রক্ষা রিকসা ও অটোচালকদের নামমাত্র ফিতে লাইসেন্স প্রদান ও পৌরসভার কার্যালয়ে তথ্য কেন্দ্র চালু করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য। ২০১১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করেছিলেন। দলীয় নেতাদের অনুরোধে বিপুল জনপ্রিয়তা থাকা সত্বেও গত পৌর নির্বাচনে তিনি অংশ গ্রহন করেন নি।

পৌরবাসীর ভালোবাসা ও আকুণ্ঠ সমর্থনে তিনি আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে মেয়র পদে মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তিনি শতকরা ৮০ভাগ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুল হক ভূইয়া অভিযোগ করে বলেন, তিনি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার পর থেকে তার সমর্থক নেতা-কর্মীদেরকে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে। তিনিসহ তার সমর্থক দলের নেতাদেরকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে পিছপা হয়নি, আমাকে অতীতেও জেল-জুলুমের ভয় দেখানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুল হক ভূইয়া বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগনের আশা-আঙ্খাশার প্রতিফলন ঘটে। আমি সবিনয়ে বলতে চাই, নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসরণ না করে যে সকল ভিআইপিগণ নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচনী এলাকায় যাওয়া নিষেধ, তারা যেন নির্বাচনে কোন প্রকার প্রভাব বিস্তার করতে না পারে সে জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানাই। পরে তিনি তার নির্বাচনী ১৭ দফা ইশতেহার ঘোষনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা কামরুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রতন, প্রবাসী মোঃ সাইফুল্লাহ, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফরিদ আহমেদ, শিক্ষানবিশ আইনজীবী ফজলে রাব্বি হোসাইন প্রমুখ।

সাংবাদিক সম্মেলনে জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১