শিরোনাম

নাসিরনগরে চলছে দেশীয় পুঁটি মাছের চ্যাপা শুটকী তৈরীর ধুম

অর্থ সংকটে ব্যবসায়ীদের হিমশিম অবস্থা, প্রয়োজন সরকারি সহায়তা 

নাসিরনগর প্রতিনিধি : | রবিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 147 বার

অর্থ সংকটে ব্যবসায়ীদের হিমশিম অবস্থা, প্রয়োজন সরকারি সহায়তা 

জেলার সর্ব উত্তরে অবস্থিত হাওড় বেষ্টিত অঞ্চল নাসিরনগর। এখানে চলছে বিভিন্ন বিলের সুস্বাদুু মিঠা পানির দেশীয় পুঁটি মাছের চ্যাপা শুটকী তৈরীর ধুম। নাসিরনগর উপজেলা সদরের উত্তরে জেলে পল্লীর ধারে, নদীর পাড়ে বাঁশের মাচা তৈরী করে এ সব শুটকী শুকানো হয়। জেলে পাড়ার মহিলারা সকাল থেকে মাছ কুটা-কাটা ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছে। নদীর পাড়ে গিয়ে দেখা যায় পরিমল দাস, লোদন দাস, শুধাংশু দাস, সুশীল দাস, কংস দাস, নিপেন্দ্র দাস ও মঙ্গল দাসের ৭টি মাচায় পরিবারের নারী সদস্যদের তত্বাবধানে চলছে মাছ শুকানোর তৎপরতা। বিলের মিঠা পানির পুঁটি মাছ দিয়ে তৈরী হয় অত্যন্ত প্রিয় চ্যাপা শুটকী। ভোজন রসিকদের রসনার স্বাদ মেটাতে এই চ্যাপা শুটকী অত্যন্ত প্রিয় খাবার। দেশে তৈরী এ সমস্ত চ্যাপা শুটকী চলে যায় দেশের বাহিরেও।

শুধাংশু দাস জানায়, প্রতি কেজি দেশীয় পুঁটি মাছের চ্যাপা শুটকী ৭শত থেকে ৮শত টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়। অনেক প্রবাসীরাও বাংলাদেশ থেকে এ চ্যাপা শুটকী বিভিন্ন দেশে নিয়ে যায়। বর্তমানে নাসিরনগরের বিভিন্ন হাওড় ও বিলে মাছ ধরার মৌসুমে পাওনা যাচ্ছে না চ্যাপা শুটকী তৈরীর দেশীয় মিঠা পানির পুটিঁ মাছ। পরিমল দাস জানান, এ সমস্ত পুঁিট মাছ এখন হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওড় থেকে ক্রয় করে এনে চ্যাপা শুটকী তৈরীর জন্য শুকানো হচ্ছে। চ্যাপা শুটকী তৈরীর কাজে নির্মিত মাচার মালিকরা  জানান, প্রয়োজনীয় অর্থ সংকটের অভাবে তারা এ ব্যবসাটি চালিয়ে যেতে পারছে না। সরকার  যদি এ চ্যাপা শুটকী তৈরীর কাজে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিতেন তাহলে তারা এ ব্যবসাটি ভালভাবে চালিয়ে যেতে পারতেন। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এই ব্যবসা চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। তাই চ্যাপা শুটকীর ব্যবসায়ীরা এ খাতে সরকারের অর্থনৈতিক সহযোগিতা চায়।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০