শিরোনাম

অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে

| শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ | পড়া হয়েছে 380 বার

অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে

সরকারি সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলাধীন নাটাই উত্তর ইউনিয়নে ইউপি মেম্বার এবং সুহিলপুর ইউনিয়নে ঠিকাদার কর্তৃক বাখরাবাদ গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানীর আওতাভুক্ত এলাকায় এক ইঞ্চি ব্যাসার্ধের হাজার হাজার ফুট অবৈধ গ্যাস পাইপ লাইন এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক অবৈধ রাইজার সংযোগ দেয়া অব্যাহত রয়েছে। এলাকার সচেতন নাগরিকরা বাখরাবাদের উপ-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) বরাবর এহেন অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণের অনুরোধ জানিয়ে একের পর এক লিখিত আবেদনপত্র দাখিল করার পরও রহস্যজনক কারণে সংশ্লিষ্ট উপ-মহাব্যবস্থাপক যথাযথ দায়িত্ব পালনে নিরব থাকার অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগ বিবরণীতে প্রকাশ, নাটাই উত্তর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার জামাল মিয়া এলাকার প্রভাবশালী কিছু কুচক্রির সহায়তায় সিরাজ মিয়ার রাইস মিল এলাকা হতে রাজঘর মহিলা মাদ্রাসা মহল্লা, চান্দিনা থলিয়ারা আমতলী স মিল এলাকায় এক ইঞ্চি ব্যাসার্ধের পাইপ দ্বারা অবৈধ পন্থায় সম্প্রতি অনুমোদন বিহীন চোরাই আবাসিক গ্যাস পাইপ লাইন ও বিপুল সংখ্যক রাইজার সংযোগ স্থাপন করেছে। গত বৃহস্পতিবার ২৪ মে দিবাগত রাতেও পাইপ লাইন সহ রাইজার সংযোগ দিয়েছে। এর মধ্যে, অষ্টগ্রাম হেলু মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত ৬ হাজার ফুট, চান্দিনায় প্রায় ২ হাজার ফুট অবৈধ গ্যাস পাইপ লাইন স্থাপন করা হয়েছে। রাজঘর কামরুল মিয়ার বাড়িতে ৮-১০টি রাইজার, আমতলী স মিল এর পাশে ১৮টি ও স মিলের চিপায় ২টি রাইজার স্থাপন করা হয়েছে। লাল মসজিদ এলাকায় ১ থেকে দেড় শ ফুট পাইপ লাইন ও মসজিদের পাশে আম গাছের নীচে মাঠে ৫-৬টি রাইজার স্থাপন করা হয়েছে। এহেন অপতৎপরতার সংবাদ পেয়ে বাখরাবাদ গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লি: এর সংযোগ বিচ্ছিন্নকারী দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়। কিন্তু ওরা পৌছার আগেই সূত্র মাধ্যমে জানতে পেরে জামাল মিয়া ও তার লোকজন সংযোগ খুলে সরিয়ে নেয়। গ্যাস কোম্পানীর দলটি চলে যাওয়ার পর পুণরায় অবৈধ সংযোগ স্থাপন করেছে। বর্তমানে আরও নতুন অবৈধ সংযোগ দেয়ার লক্ষ্যে একটি ট্রাকে অষ্টগ্রাম বাজারের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের পাইপের সাথে আরও বিপুল পরিমাণ এক ইঞ্চি পাইপ আনা হয়েছে।


এলাকাবাসীর পৃথক অভিযোগ উল্লেখ্য, সুহিলপুর ইউনিয়নে গ্যাস ঠিকাদার খন্দকার মহসীন ও তার বোন জামাতা পরস্পর যোগসাজসে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২ বছর যাবত এলাকার বিভিন্ন গ্রামে হাজার হাজার ফুট অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেয়া অব্যাহত রেখেছে। এ বিষয়ে বাখরাবাদ গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লি: এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) বরাবর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণে সচেতন জনতার পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ অনুরোধপত্র দেয়া হলেও রহস্যজনক কারণে তিনি অদ্যাবধি সংযোগ বিচ্ছিন্ন সহ তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করেননি। এরই সুযোগে জামাল মিয়া মেম্বার এবং ঠিকাদার খন্দকার মহসীন ও তার বোন জামাতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেয়ার নাম করে গ্যাস সংযোগ গ্রহণে ইচ্ছুক নারী পুরুষদের নিকট হতে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এগুলো দেখার কি কেহ নেই?

বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, সরকার দেশের ভূগর্ভে মজুদ গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়া বন্ধ করতে বৃহত্তর স্বার্থে বিগত ২০১৬ সালে প্রদত্ত এক নির্দেশনায় সারা দেশে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান নিষিদ্ধ করে এলএনজি ব্যবহারের নির্দেশনা জারী করে রেখেছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১