শিরোনাম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার মধ্যমগ্রামে

অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভারত-বাংলা মৈত্রী ৬ষ্ঠ কালিকচ্ছ সম্মিলনী

বিশেষ প্রতিনিধি : | রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 126 বার

অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভারত-বাংলা মৈত্রী ৬ষ্ঠ কালিকচ্ছ সম্মিলনী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার মধ্যমগ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভারত-বাংলা মৈত্রী ৬ষ্ঠ কালিকচ্ছ সম্মিলনী। এ সম্মীলনীতে বাংলাদেশের পক্ষে তিস্তা চুক্তির জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছে।

রোববার (২৯.১০.২০১৭) স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ভারতীয় লোকসভার সাংসদ সৌগত রায়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ সম্মিলনী চলবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। এতে দুই দেশের দেড় শতাধিক মানুষ অংশ নিয়েছেন।


ভারত-বাংলা মৈত্রী ৬ষ্ঠ কালিকচ্ছ সম্মিলনীর সভাপতি সুনীল কুমার তলাপাত্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন, লোকসভার সাংসদ সৌগত রায়, ত্রিপুরা রাজ্য বিধানসভার উপাধ্যক্ষ পবিত্র কর ও মন্দিরা নন্দী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সদস্য অ্যাড. জিয়াউল হক মৃধা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের স্বার্থে দ্রুত তিস্তা চুক্তি করা দরকার। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময়ও সিন্ধু নদীর পানি এক মুহূর্তের জন্যও বন্ধ থাকেনি। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে মধুর সম্পর্ক থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা চুক্তি না হওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এজন্য সময়ক্ষেপণ না করে অবিলম্বে তিস্তা চুক্তি করতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পবিত্র কর বলেন, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে সেটি আরও জোরদার করছে কালিকচ্ছ সম্মিলন। কিছু বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতে পারে তবে এতে সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না।

এর আগে শনিবার ৪২ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে বাংলাদেশ থেকে কলকাতা যান সাংসদ জিয়াউল হক মৃধা। এ প্রতিনিধি দলে শিক্ষক-সাংবাদিকসহ কালিকচ্ছ প্রেমীরা রয়েছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ গ্রামের বাসিন্দাদের নিয়ে গত পাঁচ বছর ধরে দুই বাংলায় এ মৈত্রী সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০