শিরোনাম

অনিয়ম ও প্রতারণার কারণে গ্রীণভ্যালী স্কুলের চেয়ারম্যান নাজমুল হকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি | শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারি ২০১৬ | পড়া হয়েছে 474 বার

অনিয়ম ও প্রতারণার কারণে গ্রীণভ্যালী স্কুলের চেয়ারম্যান নাজমুল হকের বিরুদ্ধে মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের মধ্যপাড়ায় মাসিক ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা ভাড়া চুক্তিতে স্থাপিত বেসরকারী গ্রীণভ্যালী স্কুল প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক গনের অংশ গ্রহনে অনুষ্ঠিত সভায় গৃহিত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অমান্য করে সেচ্ছাচারী কার্যক্রম, অনিয়ম, দুর্নীতি, বেআইনী তৎপরতা, পরিচালকদের নিকট হতে জনপ্রতি ২ লক্ষ টাকা হিসেবে বিপুল অংকের টাকা নিয়ে পরিচালকগনের সমন্ময়ে পরিচালনা কমিটি গঠণ না করা, সংগূহিত তহবিল আত্মসাতের অবস্থা তৈরী, ঢাকা ক্যামব্রিয়ান স্কুলের নিয়মিত শিক্ষক পদে কর্মরত স্ত্রীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রীণভ্যালী স্কুলের শিক্ষক দেখিয়ে অবৈধ বেতন দেয়া, প্রতারনা করা, মনগড়া মত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল ও শিক্ষার্থীদের বেতন বৃদ্ধি সহ যুক্তি সঙ্গত কারণে স্কুলের চলতি শিক্ষাবর্ষে ছাত্রছাত্রী ভর্তি নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি সার্বিক কার্যক্রম অবৈধ বেআইনী ঘোষণাসহ তহবিলের লক্ষ্যে দেয়া টাকা ফেরত পাবার  ডিক্রী দাবীতে গ্রীণভ্যালী স্কুলের  চেয়ারম্যান মোঃ নাজমুল হক এর বিরুদ্ধে গত ২৬ নভেম্বর  ব্রাহ্মণবাড়িয়া  সদর সিনিয়র সহকারী জজ দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা নং – দেঃ ৩৯৫/১৫ দায়ের করেছেন স্কুলের অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক ক্বারী হোটল ও কমপ্লেক্স এর স্বত্বাধীকারী এম এ হালিম । মোকদ্দমা আরজির সংক্ষিপ্ত বিবরণে প্রকাশ, বিগত ২০১২ সালের পহেলা জুন গ্রীণভ্যালী স্কুল শিক্ষা বিস্তারের মহান উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাজমুল হক, মোকদ্দমার বাদী এম এ হালিম সহ আগ্রহী  উদ্যোক্তাদের অংশ গ্রহণে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় । সভায় অংশগ্রহণকারীদের সর্ব সম্মতিতে স্কুল প্রতিষ্ঠাসহ অংশিদারী পরিচালকদের জনপ্রতি ২ লক্ষ টাকা তহবিল বিনিয়োগ, পরিচালনার ক্ষেত্রে সকল দায় দায়িত্ব ঝুঁকি লাভ লোকসান সমান ভাবে গ্রহণ ও প্রদান, বিবাদী স্কুল চেয়ারম্যান ও বাদীর যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে স্কুলের আয় ব্যয় সহ সার্বিক বিষয়, আর্থিক সংরক্ষণ এবং পরিচালনা কমিটি গঠণ, পরামর্শ জবাব দিহিতা করণ সহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ৩ শত শিক্ষার্থী নিয়ে সুনামের সাথে স্কুলটির যাত্রা শুরু হওয়ার পর ভাল আয় ও লাভ দেখে অর্থলোভ সৃষ্টি হয় গ্রীণভ্যালী স্কুলের চেয়ারম্যান নাজমুল হক, তার স্ত্রী স্কুলের ভাইস চেয়ারম্যান ও অবৈধ শিক্ষকের বেতন উত্তোলনকারী ঢাকাস্থ ক্যামব্রিয়ান স্কুলের নিয়মিত শিক্ষক ইয়াসমিন হক লিপির । এর পর থেকেই নাজমুল স্বেচ্ছাচারী আচরণ শুরু করে পরিচালনা কমিটি গঠনসহ সব সিদ্ধান্ত বাদ দিয়ে অন্যান্য উদ্যোক্তাদের মতামত পরামর্শ উপেক্ষা করে নিজ মনগড়া সিদ্ধান্তে নিয়োজিত অধ্যক্ষ ও অন্যান্য শিক্ষকদের বাদ দেয়া, নিয়োগ, ব্যাংক হিসাব ছাড়া আয় ব্যয় কার্যক্রম চালানো,অযৌক্তিক ভাবে শিক্ষর্থীদের বেতন বৃদ্ধি ও জবাবদিহিতা  থেকে দুরে থাকার অপতৎপরতা শুরু করে। এতে অভিভাবকরা যেমন সন্তানদের অন্য স্কুলে ভর্তি করাতে শুরু করেন, তেমনি ক্ষুন্ন হয় অত্র স্কুলের সুনাম। কোন চুক্তি ছাড়া আর্থিক বিনিয়োগকারী সকল উদ্যোক্তাদের অবহেলা শুরু করায় নাজমুলের প্রতি অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। এতে উদ্যোক্তাদেও বিনিয়োগকৃত বেশ কয়েক লক্ষ টাকা চেয়ারম্যান আত্মসাৎ করার পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
উপরোক্ত বিভিন্ন অভিযোগ এনে স্কুল পরিচালনা কমিটির প্রতিষ্ঠালগ্নের অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক এম এ হালিম বাদী হয়ে ২০১৬ ইং সালে নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তিবন্ধকরণসহ স্কুলের সকল কার্যক্রম অবৈধ ও বেআইনি মর্মে আদেশ পাওয়ার জন্য সিনিয়র সহকারী জজ দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করেছেন।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০